রাজ্যপাল একজন চক্রান্তকারী, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথন প্রকাশ্যে এনে শপথ-ভঙ্গ করছেন! বিস্ফোরক সুখেন্দু
সংঘাতের পথে নবান্ন-রাজভবন! ১৯৯৯ সালে জৈন হাওয়ালা কার্যত গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। রাজীব গান্ধী সহ একাধিক প্রভাবশালী নেতার নাম জড়িয়েছে এই ঘটনায়। ঠান্ডা ঘরে চলে গিয়েছে এই মামলার ফাইল। যা আবার নতুন করে তুলে আনলেন মুখ্যমন্ত
সংঘাতের পথে নবান্ন-রাজভবন! ১৯৯৯ সালে জৈন হাওয়ালা কার্যত গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। রাজীব গান্ধী সহ একাধিক প্রভাবশালী নেতার নাম জড়িয়েছে এই ঘটনায়। ঠান্ডা ঘরে চলে গিয়েছে এই মামলার ফাইল। যা আবার নতুন করে তুলে আনলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় একজন দুর্নীতিগ্রস্ত লোক বলে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি।
শুধু তাই নয়, জৈন হাওয়ালা-কাণ্ডের চার্জশিটে ধনখড়ের নাম আছে বলেও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। আর এরপরে কার্যত নয়া মাত্রা নিয়েছে! পালটা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ও। তাঁর সাফ জবাব, আমার নাম নয়, জৈন হাওয়ালা-কাণ্ডে যশবন্ত সিং এবং অজিত পাঁজার নাম ছিল।
এই বিষয়ে যশবন্ত সিংয়ের সঙ্গে তাঁর আলোচনা করা উচিৎ বলে কার্যত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুঁশিয়ারি রাজ্যপালের। পাল্টা তৃণমূলের দাবি, উনি অসত্য কথা বলছেন। হাওয়ালা-কাণ্ডে ডায়েরিতে ওনার নাম ছিল না সেই বিষয়ে কোনও তথ্য দেননি রাজ্যপাল।
রাজ্যপালের সাংবাদিক বৈঠক শেষ হতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়। পালটা সাংবাদিক বৈঠকে কার্যত তুলোধোনা করা হয়। তিনি বলেন, 'রাজ্যপাল শুধু চার্জশিটে নাম ছিল না বলেছেন। ওই ঘটনায় তিনি জড়িত ছিলেন না, একথা কিন্তু বলেননি।''
তবে এই বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করে মঙ্গলবার জানাবেন বলে জানিয়েছেন সাংসদ। একাধিক বিষয় নিয়ে রাজ্যপালের মন্তব্যকে ব্যাখ্যা করেন সুখেন্দু শেখর রায়। একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, দিল্লির নেতাদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে বাংলা ভাগের ছক কষছেন রাজ্যপাল। আর এজন্যে দিল্লি গিয়েছিলেন বলে দাবি তাঁর।
অন্যদিকে রাজ্যপাল অভিযোগ করেন, বছরের পর বছর ধরে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে কোনও উন্নয়ন হয়নি। জিটিএ অ্যাকাউন্টের অডিট করানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই বিষয়ে রাজ্যপালের অধিকার নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সুখেন্দু শেখর রায়।
তাঁর মতে, এই বিষয়ে অধিকার দেওয়া হয়নি রাজ্যপালকে। উনি বছরে একবার তথ্য যাচাই করতে পারেন। তাও কিনা রাজ্য প্রশাসনের কাছ থেকে। মুখমন্ত্রী এই মুহূর্তে পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। আইনের অপব্যাখ্যা করে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন বলেও অভিযোগ সুখেন্দু। বিজেপি নেতাদের কাছে উনি বেশি ঝুকে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ।
বিজেপি নির্দেশে উত্তরবঙ্গে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল! বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তৃণমূল সাংসদ। তাঁর দাবি, উনি একজণ চক্রান্তকারী। ওখানে গিয়ে বাংলা ভাগের চক্রান্ত করছেন ষড়যন্ত্র করছেন বলে তোপ। বাংলার মানুষ রাজ্যপালকে মেনে নেবে। চরম বিপদের মুখোমুখি হতে হবে বলেও আশঙ্কা সাংসদের।
একই ভাবে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস নিয়েও যেভাবে রাজ্যপাল এদিন মমতা সরকারকে আক্রমণ জানিয়েছেন, পালটা তৃণমূলও এই বিষয়ে সংবিধান এবং আইন তুলে ধনখরকে আক্রমণ করেন সুখেন্দুবাবু। অর্ধেক কথা তুলে ধরে আদালতকে বিভ্রান্ত করার ছক কষা হচ্ছে বলেও অভিযোগ।
মুখ্যমন্ত্রীকে অপমান করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাঁর। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কি কথাবার্তা হচ্ছে আপনাদের তা সামনে এনে সংবিধানকে অপমান করছেন বলে তোপ। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথন প্রকাশ্যে এনে শপথ-ভঙ্গ করছেন রাজ্যপাল।












Click it and Unblock the Notifications