তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সম্মেলন থেকে বাদ পড়লেন বিধায়ক! ২০২১-এর আগে জল্পনা তুঙ্গে

তৃণমূলের অনেকেই বলছেন ২০২১-এর প্রার্থী তালিকা তৈরির বিষয়টি এবার আর নেতাদের হাতে নেই। পুরোটাই প্রশান্ত কিশোরের দায়িত্বে। সেই পরিস্থিতিতে বিধায়করা রয়েছেন ভয়ে ভয়ে। কে টিকিট পাবেন আর কে পাবেন না, তা নি

তৃণমূল কংগ্রেসের (trinamool congress) অনেকেই বলছেন ২০২১-এর প্রার্থী তালিকা তৈরির বিষয়টি এবার আর নেতাদের হাতে নেই। পুরোটাই প্রশান্ত কিশোরের (prashant kishor) দায়িত্বে। সেই পরিস্থিতিতে বিধায়করা রয়েছেন ভয়ে ভয়ে। কে টিকিট পাবেন আর কে পাবেন না, তা নিয়ে একের পর এক বিধায়কের মনে সংশয় তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে নিজের এলাকাতেই বিধায়ককে বাদ দিয়ে তৃণমূলের কর্মী সম্মেলন নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

কর্মী সম্মেলনে বাদ বর্তমান বিধায়ক

কর্মী সম্মেলনে বাদ বর্তমান বিধায়ক

পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরে শহর তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে কর্মী সম্মেলন ৮ নভেম্বর। বিজেপি সরকারের জন বিরোধী নীতি এবং কালা কৃষিবিলের বিরুদ্ধে সম্মেলন ডাকা হয়েছে। বক্তার তালিকায় রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। এছাড়াও তালিকায় রাখা হয়েছে মুখপাত্র দেবু টুডু, কালনা ব্লক-১ এর সভাপতি প্রণব রায় এবং শরহ সভাপতি দেবপ্রসাদ বাগের নাম। কিন্তু তালিকায় নেই কালনার তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুণ্ডুর নাম।

কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি

কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি

এব্যাপারে বিধায়কের দুটি নম্বরে ফোন করা হয়েছিল বেঙ্গলি ওয়ান ইন্ডিয়ার তরফে। একটি ফোন ছিল সুইচড অফ। আর একটি ফোন একাধিকবার বেজে গেলেও বিধায়ক তা ধরেননি। তবে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের মতে এলাকায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে। তারই ফল দেখা গিয়েছে কর্মী সম্মেলনের ব্যানারে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই মুহুর্তে বিশ্বজিৎ কুণ্ডুর প্রথম পছন্দর হলেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী যদি শেষ পর্যন্ত তৃণমূলেই থেকে যান তাহলে এই নেতা রাজনীতিই ছেড়ে দেবেন বলে ঠিক করেছেন।

শীর্ষনেতার ফোনেই কমিটি ঘোষণা বন্ধ করে দেন

শীর্ষনেতার ফোনেই কমিটি ঘোষণা বন্ধ করে দেন

দিন দুয়েক আগে চুঁচুড়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের হুগলি জেলা কমিটি ঘোষণা করছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোরপাধ্যায়। কিন্তু মাঝপথেই তা বন্ধ রাখতে বাধ্য হন শীর্ষ নেতার ফোনে। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শেষে সাংবাদিক বৈঠকের মাঝপথেই পিঠটান দেন তৃণমূল সাংসদ। জেলার কোর কমিটির সদস্যরাও। তৃণমূল সূত্রে খবর, প্রথম ফোন এসেছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের কাছ থেকে। তাঁকে আপত্তিজনক কথা বলেন তৃণমূল সাংসদ। এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করলে তাঁর সঙ্গেও উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়।

 একের পর এক বিধায়ক বিদ্রোহী

একের পর এক বিধায়ক বিদ্রোহী

দলের পিকের দলের কর্মকাণ্ডের জেরে একের পর এক বিধায়ক বিদ্রোহী হয়ে উঠছেন। এব্যাপারে প্রথম বিদ্রোহী হন কোচবিহারের মিহির গোস্বামী। আপাতত তিনি তৃণমূলের নাগালের বাইরে। দলে জন্মলগ্ন থেকে জড়িত মিহির গোস্বামী। তিনিই অক্টোবরের শুরুর দিকে সরব হয়েছিলেন দলের কর্মকাণ্ড নিয়ে। সেই সময় তাঁর অভিযোগ ছিল, বিধায়কদের মতামত ছাড়াই তৃণমূলের জেলা কমিটি তৈরি করা হয়েছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে এবিষয়ে জানানো হলেও কোনও ফল পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ ছিল তাঁর। তিনি তোপ দেগেছিলেন পিকের সংস্থা আইপ্যাকের বিরুদ্ধে। বলেছিলেন, কোনও রাজনৈতিক দল কোনও কন্ট্রাক্টর সংস্থাকে দিয়ে চালাতে গেলে সেই সংগঠনের ক্ষতির সম্ভাবনা হওয়ার সম্ভাবনা ১০০ শতাংশ। প্রায় একই সুর ছিল ব্যারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক শীলভদ্র দত্তের। তিনি প্রশান্ত কিশোরের আইপ্যাককে বাজারি কোম্পানি বলে ব্যাখ্যা করেছিলেন। কটাক্ষ করে তিনি বলেছিলেন, ড়া করা সংস্থা রাজনৈতিক জ্ঞান দিচ্ছে, রাজনীতির পাঠ দিচ্ছে। এই তালিকায় সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে নন্দকুমারের তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার দের নাম।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+