কম্পিউটারাইজড পরিষেবা দিতে দিনভর বন্ধ ট্রেন! যাত্রী দুর্ভোগে কী ব্যবস্থা রেলের
সাধারণত এই ইন্টারলকিং সিস্টেমের আয়ু হয় ২৫ বছর। কিন্তু সেই সময় পেরিয়ে গিয়েছে। তারপর বর্তমানে এই ইন্টারলকিং সিস্টেম উন্নত করারও প্রয়োজন। সেই কাজই শুরু করেছে রেল।
পুরো একটা দিন ট্রেন চলাচল বন্ধ দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়গপুর শাখায়। রবিবার দিনভর খড়গপুরে ঢুকবে না কোনও ট্রেন। ইন্টারলকিং সিস্টেম অত্যাধুনিক করার কাজ চলায় পুরো ২৪ ঘণ্টা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সোমবার থেকে ট্রেন চলাচল একেবারে স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন রেল কর্তারা।

৪ নভেম্বর থেকে খড়গপুর কেবিনে ইন্টারলকিং সিগন্যালিং সিস্টেমের কাজ শুরু হয়েছে। আগে থেকেই নোটিশ জারি করে জানানো হয়েছিল ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত খড়গপুর ডিভিশনে ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটবে। ইন্টারলকিং সিস্টেমের কাজ একেবারে শেষপর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। এতদিন যাত্রী পরিষেবা সচল রাখতে কিছু ট্রেন বাতিল করেই কাজ চালানো হচ্ছিল। কিন্তু শেষদিন ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রাখতেই হচ্ছে।
রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, সাধারণত এই ইন্টারলকিং সিস্টেমের আয়ু হয় ২৫ বছর। কিন্তু সেই সময় পেরিয়ে গিয়েছে। তারপর বর্তমানে এই ইন্টারলকিং সিস্টেম উন্নত করারও প্রয়োজন। সেই কাজই শুরু করেছে রেল। এশিয়ার বৃহত্তম ৮০০ রুটের ইন্টারলকিং রয়েছে খড়গপুরে। এবার থেকে এই ইন্টারলক পরিষেবা চলবে কম্পিউটারের মাধ্যমে।

এদিন ট্রেন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় কোনও দূরপাল্লার ট্রেনই খড়গপুরে ঢুকতে পারবে না। লোকাল ট্রেনও বাতিল করা হয়েছে ৯০ শতাংশ। ফলে যাত্রীরা এদিন ঘোরতর বিপাকে পড়েছেন। আপাতত শর্ট টার্মিনেট করে এই সমস্যা মেটানোর বন্দোবস্ত করা হয়েছে।
আজ, রবিবার সারাদিন ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে খড়গপুর শাখায়। ইন্টারলকিং সিগন্যালিং সিস্টেম অত্যাধুনিক করার কাজ চলায় বন্ধ রাখা হয়েছে ট্রেন চলাচল৷ ৯০ শতাংশ লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলের আধিকারিকরা। তা সত্ত্বেও দুর্ভোগের চিত্র স্পষ্ট দক্ষিণ-পূর্ব রেলে। হাওড়া থেকেও ট্রেন ছাড়ার সময়সূচিতে এদিন ব্যাপক রদবদল করা হয়েছে।
দক্ষিণ-পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক জানিয়েছেন, বৃহত্তর স্বার্থে মানুষকে একদিন সমস্যা ভোগ করতে হচ্ছে। কিন্তু এর ফল হবে সুদূরপ্রসারী। পরবর্তী সময়ে উন্নততর ব্যবস্থায় স্বয়ংক্রিয় ইন্টারলকিং সিস্টেমে ট্রেন চলবে।












Click it and Unblock the Notifications