মাকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত অন্তঃসত্ত্বা মহিলা, বিবস্ত্র করে মারধর
মাকে নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে। মায়ের সামনেই মেয়েকে বিবস্ত্র করে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
মালদহ, ২৪ জানুয়ারি : মাকে নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে। মায়ের সামনেই মেয়েকে বিবস্ত্র করে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। মালদহের বৈষ্ণবনগরের চন্দ্রকোণা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ছাগলে গাছ খেয়ে নেওয়াকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিবাদের জেরে ঘটে গেল ধুন্ধুমার কাণ্ড।
অভিযোগ, অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে বিবস্ত্র করে মারধর করে তাঁর জেঠু ও জাঠতুতো দাদারা। বাবা ও স্বামীপেশার তাগিদে ভিনরাজ্যে থাকেন। মায়ের কাছে ছিলেন ওই অন্তঃসত্ত্বা বধূ। এদিন ছাগল খাবার খেয়ে নেওয়ায় মাকে হেনস্থা হতে দেখে স্থির থাকতে পারেননি মেয়ে। মাকে বাঁচাতে এগিয়ে গিয়েছিলেন। তখনই ঘটে গেল নিগ্রহের ঘটনা।

আক্রান্ত দুই মহিলাকে ভর্তি করা হয়েছে মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। বৈষ্ণবনগর থানায় মৌখিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মা ও মেয়ের চিকিৎসার দরকার আগে। তারপর তদন্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।
ভাসুর স্বাধীন মণ্ডলের বাড়ি পাশেই। তাঁরা সবাই কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত। বাড়িতে গরু-ছাগল চাষো রয়েছে। স্বাধীনবাবুদের বাড়ির ছাগল প্রায়ই বাড়িতে ছুকে শস্য বা খাবার খেয়ে নিত। তাই একাধিকবার ভাসুরকে বলেছিলেন ওই অন্তঃসত্ত্বার মহিলার মা। এই নিয়ে একাধিকবার সালিশিসভাও বসেছিল বাড়িতে।
এদিন বাড়িতে ঢুকে ভাত খেয়ে নেওয়ায় প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন ওই মহিলা। তখনই তাঁর উপর চড়াও হয় ভাসুরের বাড়ির লোকজন। মা ও মেয়েকে নিগ্রহ করা হয়। প্রহৃত হয়ে তাঁরা প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি হন। পরে তাঁদের রেফার করা হয় মালদহে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।












Click it and Unblock the Notifications