বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হোক! নারদ মামলার মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হল মামলা
একদিকে নারদ মামলা নিয়ে কার্যত চাপের মুখে সরকার। উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। এই মামলায় একের পর এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতারের পরেই উত্তাল বাংলা। আপাতত জেলে চার অভিযুক্ত। আর এই গ্রেফতারের পর থেকেই নেতাদের অনুগামীদের ক্ষোভ বাড়ছে।
একদিকে নারদ মামলা নিয়ে কার্যত চাপের মুখে সরকার। উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। এই মামলায় একের পর এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতারের পরেই উত্তাল বাংলা। আপাতত জেলে চার অভিযুক্ত। আর এই গ্রেফতারের পর থেকেই নেতাদের অনুগামীদের ক্ষোভ বাড়ছে।

আর সেখান থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গাতে ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলছে। আর এই ঘটনায় জখন কার্যত চাপে রাজ্য প্রশাসন সেই সময় বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হল জনস্বার্থ মামলা। আইনজীবী।
ঘনশ্যাম উপাধ্যায় নামে ওই ব্যক্তি সুপ্রিম কোর্টে এই আবেদন করেছেন।
আইনজীবীর আবেদন।, বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করতে কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দিক সুপ্রিম কোর্ট। এমনকী পিটিশনে ওই আইনজীবী উল্লেখ করেছেন, ভারত যেন 'তালিবান' শাসিত না হয়ে যায়। এই আবেদন ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
শাসকদলের দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবেই এই মামলা করা হয়েছে। ভোটের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন অংশে অশান্তি চলছে। সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদনকারীর দাবি, ভোট পরবর্তী বাংলায় ইতিমধ্যেই ১৬ জন বিজেপি কর্মী, সমর্থকের মৃত্যু হয়েছে।
তাই কেন্দ্রকে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগের নির্দেশের পাশাপাশি আদালত যেন একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করে, এমনই আর্জি জানিয়েছেন ওই আইনজীবী।
প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই রাজ্য বিজেপি নেতাদের অনেকেই বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানিয়েছিলেন। ভোট পরবর্তী হিংসা এবং সম্প্রতি নারদ কাণ্ডে রাজ্যের ২ মন্ত্রী-সহ ৪ জনের গ্রেফতার ও তার পরবর্তী ঘটনাক্রম নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
আর সেই জল্পনার মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়েছে বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানিয়ে আবেদন। আবেদনে সাফ বলা হয়েছে যে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে আইনের কোনও শাসন নেই। তৃণমূলের নতুন সরকার সাধারণ মানুষের জীবন, সম্পত্তি ও স্বাধীনতা রক্ষায় ব্যর্থ।
অন্যদিকে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (mamata banerjee) সরকারকে (west bengal govt) নোটিশ দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। ২ মে ভোটের ফল বেরনোর পরে দুই বিজেপি (bjp) কর্মীর হত্যা নিয়ে এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে। মৃত বিজেপি কর্মীর ভাই মৃত্যুর ঘটনায় সিট (sit) কিংবা সিবিআই (cbi) তদন্তের দাবি করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন।
বিচারপতি বিনীত সরণ এবং বিচারপতি বিআর গাভাইয়ের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের অবসরকালীন বেঞ্জে শুনানি হয়। সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা নিয়ে আবেদন করেছিলেন বিশ্বজিৎ সরকার নামে এক ব্যক্তি।
ভোটের ফল বেরনোর পরবর্তী সময়ে তাঁর ভাই বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হত্যা করেছিল বলে অভিযোগ।
সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার আবেদনকারী এই ধরনের ঘটনায় আদালতের নজরদারিতে সিট গঠনের আবেদন করেছিলেন। এব্যাপারে অপর বিজেপি কর্মী হারান অধিকারীর নামও উল্লেখ করা হয়েছে। যাঁকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হত্যা করেছিল বলে অভিযোগ। এব্যাপারে আবেদনটি করেছেন হারান অধিকারীর স্ত্রী।
আবেদনকারীদের তরফে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়ক আইনজীবী মহেশ জেঠমালানি দাবি করেছেন, হ্ত্যার ঘটনার পরে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। অন্যদিকে তদন্ত প্রক্রিয়াকে গুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও চলেছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
পাশাপাশি তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, রাজ্য প্রশাসন হত্যাকারীদের মদত দিচ্ছে। পাশাপাশি জেঠমালানি আদালতের কাছে এও দাবি করেন, অভিজিৎ সরকারের ময়নাতদন্তের ভিডিওগ্রাফি করা হোক। কেননা এখনও তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়নি।
যদিও আদালত এই দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করেনি। তবে কলকাতা হাইকোর্ট ভোট পরবর্তী হিগসা নিয়ে যেভাবে রাজ্য সরকার কাজ করছে তাতে খুশি।
সন্ত্রাস নিয়ে গত কয়েকদিন আগে একটি মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই এই কলকাতা হাইকর্টের এই পর্যবেক্ষণ ছিল।












Click it and Unblock the Notifications