ভোটে জিততে বাংলাদেশ থেকে গুন্ডা নিয়ে আসবে তৃণমূল, কী বললেন দিলীপ ঘোষ!
সামনেই বিধানসভা উপনির্বাচন। আরও একবার রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন দিলীপ ঘোষ। আরজি কর কাণ্ড, সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়েও তিনি বক্তব্য রেখেছেন।
সিতাই বিধানসভার উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। বুধবার সকালে কোচবিহার শহরের সাগরদিঘি পাড়ে প্রাতঃভ্রমণ করেন তিনি। এরপর চায় পে চর্চায় বসলেন দিলীপ ঘোষ।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, উপ নির্বাচনের ফল আগে থেকে বলা যায় না। তবে সিতাই বারবার খবরের শিরোনামে। হিংসা হোক, নারীপাচার হোক, কিংবা অনুপ্রবেশ হোক। যত অনৈতিক কাজ, হিংসা এখানেই হয়। এখানেও সরকার চেষ্টা করবে লুটপাট করে জেতার জন্য। বাংলাদেশ থেকে গুন্ডা নিয়ে আসবে। আগের মতো এবারও পুরো শক্তি দিয়ে বিজেপি লড়াই করবে।
জন বার্লা প্রসঙ্গে রাজনৈতিক চর্চা উত্তরবঙ্গে বেড়ে গিয়েছে। তিনি কি বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করবেন? সেই প্রশ্ন উঠেছে। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, জন বার্লা একজন শ্রমিক নেতা। বিজেপি তাঁকে মন্ত্রী করেছে। যেটা কেউ কল্পনা করে না, সেটা ওনাকে করা হয়েছে। এখন উনি ঠিক করবেন, কী করবেন।
সুপ্রিম কোর্টে অভয়া মামলার শুনানি চলছে। সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আদালতের যে শুনানি, তা নিয়ে মানুষের সন্দেহ আছে। শুনানি হচ্ছে না। ডেট পিছিয়ে যাচ্ছে। বেশ কয়েক মাস হয়ে গেল। সুপ্রিম কোর্ট নিজের থেকে হস্তক্ষেপ করেছে। মানুষের বিশ্বাস আছে, একটা বিচার হবে।
তিনি আরও বলেন, সিবিআইকে ওনারাই কাজ দিয়েছেন। সিবিআই কতটা কাজ করছে, ওনারা জানেন। আমরা জানতে পারছি না। আর এই ধরনের লজ্জাজনক ঘটনা যাতে পশ্চিমবঙ্গে না ঘটে। তার দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের।
নারী সুরক্ষা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিদিন প্রচুর মহিলা পশ্চিমবঙ্গে নির্যাতিত হচ্ছে। নারীরা সুরক্ষিত নন। ছাত্ররা পড়ার থেকে ফিরছেন না। মহিলারা কাজে গেলে ফিরছেন না। তাদের সুরক্ষার কোনও বিষয় নেই।
এই বিষয়ে রীতিমতো মুখ্যমন্ত্রীকেও খোঁচা দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মহিলাদের নিয়ে কোনও চিন্তা নেই। তাঁর আমলেই মহিলারা সব থেকে বেশি অসুরক্ষিত। ৪৮ হাজারেরও বেশি কেস হয়ে গিয়েছে। কোনও চার্জশিট হয় না। এফআইআরই হয় না।












Click it and Unblock the Notifications