২০২৪-এর লক্ষ্যে পরিকল্পনা! তৃণমূলের 'শহিদ দিবস' এবার বাংলা ছাড়িয়ে শুধু দিল্লিতে নয়, উত্তর-পূর্বেও
করোনা কাটায় গত বছরের পর এবারও তৃণমূল (trinamool congress) ভার্চুয়ালি (vertual) পালন করবে ২১ জুলাই (21 july)। সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (mamata banerjee) ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখবেন। তবে গতবারের থেকে এবারের পরিস্থিতি
করোনা কাটায় গত বছরের পর এবারও তৃণমূল (trinamool congress) ভার্চুয়ালি (vertual) পালন করবে ২১ জুলাই (21 july)। সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (mamata banerjee) ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখবেন। তবে গতবারের থেকে এবারের পরিস্থিতিআলাদা। এবার তৃতীয়বারের জন্য বিধানসভা নির্বাচন জিতেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের লক্ষ্য ২০২৪। তাই সারা দেশ জুড়েই ২১ জুলাইয়ের ভাষণ শোনানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে তৃণমূলের তরফে।

২১ জুলাই শুরু সংসদের বাদল অধিবেশন
একদিকে তৃণমূলের ২১ জুলাই, শহিদ দিবস পালন, ১৯৯৩-এর ১৩ জনের মৃত্যুর প্রতিবাদে। অন্যদিকে সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু ওই একই দিনে। যেই কারণে সব সাংসদই উপস্থিত থাকতে চলেছেন দিল্লিতে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২১ জুলাইয়ের ভাষণ দিল্লির অনেক জায়গাতেই শোনানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব থেকে বড় সে সম্প্রচার অনুষ্ঠানটি হবে, তা হল দিল্লির সাউথ এভিনিউতে দলীয় কার্যালয়ে।

সম্প্রচার হবে উত্তর-পূর্বের রাজ্যেও
তবে শুধু দিল্লিতেই নয়, তৃণমূলের তরফে এবার ২১ জুলাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষণ শোনানোর জন্য অসম, ত্রিপুরা-সহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতেও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করেছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। কেননা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২৪-এর লক্ষ্যে বিশেষ কোনও বার্তা দিতে পারেন বলেই মনে করছেন অনেকে।

মমতার বার্তা নিয়ে জল্পনা
২০২১১ সালে বিধানসভা জয়ের পরে তৃণমূল এক ঐতিহাসিক ২১ জুলাই পালন করেছিলেন। আর এবারও তাই হতে পারত, কেননা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন বিধানসভা জয়ের পরে ২১ জুলাই পালন করা হবে ব্রিগেডে। কিন্তু তাতে বাধা পড়েছে করোনা কাটা।
এর আগে ২১ জুলাই দেখা গিয়েছে, বিভিন্ন দল থেকে তৃণমূলে অনেকেই যোগ দেন। এবারও সেরকম কিছু হতে পারে। ইতিমধ্যেই প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের পুত্র অভিজিত মুখোপাধ্যায় তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। মাটিগাড়া-নকশাল বাড়ির প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক তথা প্রদেশ কংগ্রেসের কার্।নির্বাহী সভাপতি শঙ্কর মালাকার এবং রোহন মিত্র ও শিখা মিত্রের তৃণমূলে যোগদান নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। এঁরা ছাড়াও বিধানসভা নির্বাচনের আগে অনেকেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁদের তৃণমূলের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও বার্তা দেন কিনা তার অপেক্ষায় রয়েছেন কোচবিহারের ভূষণ সিং কিংবা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো অনেকে।

রাজ্যে রাজ্যে তৃণমূলের পার্টি অফিস
২০২৪-এ দিল্লি লক্ষ্য। তার আগে বিভিন্ন রাজ্যে সংগঠন বিস্তার লক্ষ্য তৃণমূলের। যা করতে গিয়ে ইতিমধ্যে উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় পার্টি অফিস খুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। উত্তর প্রদেশের বরেলি, মোরপাদাবাদ, আলিগড়, বারণসী, গোরক্ষপুর, এলাহাবাদের মতো জায়গায় ইতিমধ্যেই দলীয় অফিস খুলেছে তৃণমূল। এই সব এলাকার তৃণমূল কর্মীদের দাবি বাংলায় বিজেপি হেরে যাওয়ার তাঁরা উৎসাহিত। এছাড়াও বিহার, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ডে অনেকেই তৃণমূলের ব্যাপারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে দাবি করা হয়েছে ঘাসফুল শিবিরের তরফে।












Click it and Unblock the Notifications