বিধানসভার সাত আসনে দ্রুত উপনির্বাচনের দাবি, নির্বাচন কমিশনে দরবার তৃণমূলের প্রতিনিধিদলের
রাজ্যের করোনা (coronavirus) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। এই দাবির ওপরে ভিত্তি করে রাজ্যের ৭ বিধানসভা আসনে দ্রুত পুনর্নির্বাচনের (by election) দাবিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে নির্বাচনের কমিশনের(election commission) দ্বারস্থ হচ্ছে তৃ
রাজ্যের করোনা (coronavirus) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। এই দাবির ওপরে ভিত্তি করে রাজ্যের ৭ বিধানসভা আসনে দ্রুত পুনর্নির্বাচনের (by election) দাবিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে নির্বাচনের কমিশনের(election commission) দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। এব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের তরফে বিকেল সাড়ে চারটেয় সময় মিলেছে।

যাচ্ছেন ছয় তৃণমূল সাংসদ
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই মত প্রকাশ করেছিলেন, ভোটের প্রচারের জন্য সাতদিন সময় দিলেই চলছে। সেই তথযকে সামনে রেখে তৃণমূলের ছয় সাংসদ এদিন নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হতে চলেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, লোকসভার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদার। রাজ্যসভার সুখেন্দুশেখর রায় এবং ডেরেক ও'ব্রায়েনও এই দলে থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।

সাত কেন্দ্রে দ্রুত নির্বাচনের দাবি
করোনা আক্রান্ত হয়ে দুই প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ এবং জঙ্গিপুর-এ দুই কেন্দ্রে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়। অন্যদিকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে পদত্যাগ করেছেন। এছাড়াও ভোট চলাকালীন করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিল খড়দহের তৃণমূল প্রার্থী। গণনার পরে দেখা যায় সেখানে তিনিই জয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্করেরও মৃত্যু হয় করোনা সংক্রমণের কারণে। দিনহাটা ও শান্তিপুর আসনে জয়ী দুই বিজেপি সাংসদ দুটি আসনই ছেড়ে দিয়েছেন। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তাই দ্রুত এই সাত আসনে নির্বাচন সম্পন্ন করার দাবি তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

উপনির্বাচনের পরিস্থিতি নেই, বলছে বিজেপি
তৃণমূল দাবি করলেও রাজ্যে উপনির্বাচনের পরিস্থিতি নেই, দাবি করা হয়েছে বিজেপির তরফে। একদিকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এব্যাপারে বিধানসভা ভোট চলাকালীন পরিস্থিতিতে মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায়ের কথা উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য রাজ্যে ভোট করানোর মতো পরিবেশ নেই। কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ দলের কর্মীরা ঘরছাড়া। এছাড়া বিজেপি কর্মীদের রেশন ও টিকা দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযো গ করেছেন তিনি। তবে যদি নির্বাচন কমিশন মনে করে সাতদিনের প্রস্তুতিতে নির্বাচন সম্ভব তাহলে তাই হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বিজেপির দাবি রাজ্যে বাকি থাকা পুরসভাগুলির নির্বাচন আগে করানো হোক।

উপনির্বাচন পিছিয়ে জটিলতা তৈরির চেষ্টা
নন্দীগ্রামে পরাজিত হওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৫ নভেম্বরের মধ্যে বিধানসভায় জিতে আসতে হবে। না হলে জটিলতা তৈরি হতে পারে। বর্তমানে তৃণমূল মনে করছে উপনির্বাচন পিছিয়ে দিয়ে জটিলতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই কারণে তৃণমূলের তরফ থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে দরবার।












Click it and Unblock the Notifications