মুকুলদের চ্যালেঞ্জ রুখতে কৌশল বদল! ঠেকে শিখে পুরনো নেতাদের স্মরণ তৃণমূলের
লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে নৈতিক হার হয়েছে তৃণমূলের। ২০১৯১-র লোকসভায় ধাক্কা খাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই ২০২১-এর লড়াইয়ে ব্যাকফুটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে নৈতিক হার হয়েছে তৃণমূলের। ২০১৯১-র লোকসভায় ধাক্কা খাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই ২০২১-এর লড়াইয়ে ব্যাকফুটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অবস্থায় ফেরে পুরনো নেতৃত্বের স্মরণ নিতে ভুলল না তৃণমূল। তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে আহ্বান জানানোর হয়েছে, অভিমান ভুলে সক্রিয় হন সবাই।

অভিমানী নেতাদের কাছে আর্জি
এবার বাংলায় ৪২-এ ৪২ করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই শুরু করেছিল তৃণমূল। কিন্তু লোকসভার ফলে বাংলায় অশনি সংকেত দেখছে তৃণমূল। ৪২ তো দূরঅস্ত। কোনওরকমে ২২টিতে জিতে মুখ রক্ষা হয়েছে। এই অবস্থায় অভিমানী নেতাদের কাছে আর্জি জানিয়েছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা ফিরহাদ হাকিম।

আহ্বান মূলস্রোতে ফেরার
তিনি নিজে যেমন শোভন চট্টোপাধ্যায়কে ফোন করেছেন, তেমনই দলের প্রতিটি স্তরে অভিমান করে দূরে সরে থাকা নেতা-নেত্রীদের আহ্বান জানিয়েছেন মূলস্রোতে ফেরার। দলের নেতৃত্বকে অবিলম্বে কাছে টেনে নিতে হরবে মুখ ভার করে দূরে সরে থাকা নেতাদের। আদি-নব্য সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করতে হবে।

শোভন-কাজল-মিহিরদের বার্তা
কলকাতার বর্তমান মেয়র ফিরহাদ হাকিম যেমন প্রাক্তন মেয়র শোভনকে ফোন করেছেন, তেমনই অনুব্রত মণ্ডলও নিজের বাড়িতে ডেকে পাঠিয়েছেন বিরুদ্ধে গোষ্ঠীন নেতা কাজল শেখকে। আহ্বনা জানানো হয়েছে কোচবিহারের বিধায়ক মিহির গোস্বামীকে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার। তৃণমূল যে ঠেকে শিখছে, তা দলের এই ভূমিকা থেকেই স্পষ্ট।

আরও এক বিপদ রুখতে
ফিরহাদ আমরা একসঙ্গে লড়াই করে সিপিএমকে হটিয়ে ছিলাম বাংলা থেকে। আরও এক বিপদ ধেয়ে আসছে বাংলায়। তাই ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে এক যোগে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। ২০০৯ সালের আগে যাঁরা তৃণমূলে ছিলেন, এখন বয়সের ভারে হোক বা কাজের তাগিদে যাঁরা নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন, তাঁরা আসুন, দলের ব্যাটন তুলে ধরুন।












Click it and Unblock the Notifications