মমতার ভবানীপুরে দ্বিমুখী প্রচার কৌশল তৃণমূলের! রেকর্ড জয়ের অঙ্ক কষা শুরু
নন্দীগ্রামে এবার একটুর জন্য জয় অধরা রয়ে গিয়েছে। একেবারে শেষ রাউন্ডে জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এবার নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে ফিরে এসে রেকর্ড জয়ের অঙ্ক কষা শুরু করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
নন্দীগ্রামে এবার একটুর জন্য জয় অধরা রয়ে গিয়েছে। একেবারে শেষ রাউন্ডে জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এবার নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে ফিরে এসে রেকর্ড জয়ের অঙ্ক কষা শুরু করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই করাণে ভবানীপুর উপনির্বাচনে এবার দ্বিমুখী প্রচাকর কৌশল নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার ভোট প্রচারে কোনও ফাঁকফোকর রাখতে চাইছে ন তারা।

এবার করোনা বিধি মেনে ছোটো ছোটো সভা করতে হবে। কোনও বড় সভা করা যাবে না এবার। সেইমতোই ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত আট ওয়ার্ডে যে প্রচার কৌশল সাজিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস, তাতে রয়েছে সুপরিকল্পনার ছাপ। স্ট্রিট কর্নার আর দিন-রাতের হিসাব কষে এলাকার নেতা ও মহিলাদের আলাদা আলাদা করে প্রচারে ব্যবহারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
একাধারে নেতাদের ব্যবহার করা হবে স্ট্রিট কর্নারে। আর মহিলাদের ব্যবহার করা হবে বাড়ি বাড়ি প্রচারে। ভবানীপুরের আট ওয়ার্ডে মূলত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দলের হেভিওয়েট পাঁচ নেতার হাতে। ঠিক হয়েছে নিয়ম করে পাঁচ নেতা নেতৃত্ব দেবেন এই প্রচারে। ঠিক হয়েছে পাঁচজন করে একটি দেল ভাগ হয়ে তারা যাবেন বাড়ি বাড়ি।
ঘরের মেয়ে হয়ে মহিলারা যাবেন বিভিন্ন বাড়িতে। বৈঠকের আমেজে ভোট প্রচার সেরে নেওয়াই তাদের লক্ষ্য। কোন পরিবারের কে কোন সমস্যায় রয়েছে, কে কোন পরিষেবা পায়নি, সে সবই বাড়ি বাড়ি গিয়ে জানবেন তৃণমূলের মহিলা নেতা-কর্মীরা। তাদের সঙ্গে থাকবে লিফলেট। লিফলেট বিলি করে তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজের খতিয়ান প্রচার করবেন। বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি ভাষায় ছাপানো হয়েছে ওই লিফলেট।
কমিশনের নির্দেশ সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে প্রচার শেষ করতে হবে। তাই তৃণমূল কংগ্রেস প্রচারের সময় এগিয়ে এনেছে। প্রথমে ঠিক হয়েছিল তৃণমূল এই বাড়ি বাড়ি প্রচার শুরু করবে সন্ধ্যা থেকে। কিন্তু পরে তা বিকেল থেকে শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তাহলে সাতটার মধ্যে প্রচার শেষ করা সম্ভব হবে।
তৃণমূল ঠিক করেছে আটটি ওয়ার্ডে মোট ৪৮টি ছোট সভা করা হবে। প্রতি ওয়ার্ডে গড় ছ-টি করে পথসভা হবে। দলের নির্দেশ মেনে পাঁচ হেভিওয়েট নেতা প্রচার পরিকল্পনা সাজিয়েছেন। সেই নিরিখে একাধারে স্ট্রিট কর্নার, অন্যদিকে বাড়ি বাড়ি প্রচার। দুমুখী এই প্রচার পরিকল্পনা তৈরি করে তৃণমূল ঝাঁপাচ্ছে ভোট-যুদ্ধে রেকর্ড মার্জিনে জয় পেতে।
উল্লেখ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভবানীপুরে বিজেপির প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। কংগ্রেস কোনও প্রার্থী দেয়নি। তবে সিপিএম প্রার্থী দিয়েছে। তরুণ আইনজীবী শ্রীজীব বিশ্বাসকে প্রার্থী করা হয়েছে ভবানীপুরে। মোট কথা, ভবানীপুর এবার তিন আইনজীবীর লড়াই দেখবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ছিলেন এক আইনজীবী।












Click it and Unblock the Notifications