সাতদিনে তিন ‘উইকেট’! তৃণমূলের ধীরে চলো নীতিতে অপেক্ষায় অনেক বিজেপি বিধায়ক

সাতদিনে তিন ‘উইকেট’! তৃণমূলের ধীরে চলো নীতিতে অপেক্ষায় অনেক বিজেপি বিধায়ক

এক সপ্তাহের মধ্যে তিন-তিনজন বিজেপি বিধায়ক তৃণমূলে যোগদান করেছেন। তার আগে মুকুল রায় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরেছেন আর দুই বিজেপি সাংসদ বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়ে সংসদীয় রাজনীতিকে বেছে নিয়েছেন। এর ফলে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ৭৭ থেকে কমে হয়েছে ৭১। কিন্তু আরও বেশ কয়েকজন বিজেপি বিধায়ক লাইনে রয়েছেন।

মুকুল রায় ১১ জুন তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর

মুকুল রায় ১১ জুন তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর

মুকুল রায় তৃণমূলের ফেরার পর থেকেই জল্পনা চলছিল তাঁর পিছু পিছু কে কে লাইন দেবেন। তখন থেকেই তৃণমূল ধীরে চলো নীতি নিয়েছিল। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে অনেকেই তৃণমূলে ফেরার লাইনে ছিলেন। কিন্তু তৃণমূল তাড়াহুড়ো করতে চায়নি একেবারেই। মুকুল রায় ১১ জুন তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। তারপর শেষ এক সপ্তাহের মধ্যে বিজেপি বিধায়ক তন্ময় ঘোষ, বিশ্বজিৎ দাস এবং সৌমেন রায় যোগ দেন তৃণমূলে।

২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই রায়গঞ্জের বিজেপি বিধায়ক বেসুরো

২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই রায়গঞ্জের বিজেপি বিধায়ক বেসুরো

বিজেপির রায়গঞ্জের বিধায়কও এবার বেসুরো বাজছেন। তিনি বিজেপিতে কাজের পরিবেশ নেই বলে আওয়াজ তুলেছেন সম্প্রতি। সৌমেন রায়ের তৃণমূলে যোগদানে উত্তরবঙ্গেও বিজেপি ভাঙতে শুরু করল শনিবার থেকে। তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই রায়গঞ্জের বিজেপি বিধায়কের বেসুরো বার্তায় অশনি সংকেত দেখছে বিজেপি।

ধীরে চলো নীতি দলবদলুদেন নিয়ে, ভিন্ন নীতিও কিছু ক্ষেত্রে

ধীরে চলো নীতি দলবদলুদেন নিয়ে, ভিন্ন নীতিও কিছু ক্ষেত্রে

তৃণমূল চাইছে দলবদলু নেতাদের নিয়ে ধীরে চলো নীতি নিতে। যাঁরা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েও সেভাবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মুখ খোলেনি, তাঁদের নিয়ে একরকম অবস্থান, আর যাঁরা দল ছেড়ে সরব হয়েছিলেন, তাঁদের নিয়ে আর একরকম অবস্থান নিতে চলেছে। মোট কথা, কোনওভাবেই তাড়াহুড়ো করতে চাইছে না তৃণমূল। কাউকে দলে নিয়ে নতুন করে সমস্যা তৈরি হোক, তা চাইছে না তৃণমূল।

টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় তৃণমূল, বিজেপিতে ভাঙন শুরু

টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় তৃণমূল, বিজেপিতে ভাঙন শুরু

একুশের নির্বাচন জিতে টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল। তারপরই বিজেপিতে ভাঙন ধরতে শুরু করেছে। নির্বাচনের আগে যেমন তৃণমূলে ভঙ্গুর দশা ছিল, এখন সেই অবস্থা বিজেপিতে। বিজেপির ২০১৯ ভোটের সাফল্যের পর অনেক নেতানেত্রীই পরিবর্তনের আন্দাজ করে তৃণমূল ছেড়েছিলেন। কিন্তু সেই অনুমান ব্যর্থ হওয়ায় তাঁরা অনেকেই তৃণমূলের পথে ফের পা বাড়াতে চলেছেন।

বিজেপিতে গিয়ে যাঁরা বিধায়ক হয়েছেন, অনেকেই ফিরেছেন

বিজেপিতে গিয়ে যাঁরা বিধায়ক হয়েছেন, অনেকেই ফিরেছেন

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়ে অনেকেই স্বস্তিতে নেই। তাঁদের অনেকে ভোটের টিকিট পেয়েছিলেন। কেউ কেউ ভোটে জিতেছেন, কেউ জিততে পারেননি। যাঁরা জিততে পারেননি, তাঁদের অস্তিত্ব সংকটে পড়ে গিয়েছে। তাঁরাই এখন তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে বার্তা পাঠাচ্ছেন। আবার বিজেপিতে গিয়ে যাঁরা বিধায়ক হয়েছেন, তাঁদেরও অনেকে ফিরেছেন, অনেকে ফিরতে চাইছেন।

বিজেপি ছেড়ে কারা এলেন তৃণমূল, কতজন বিধায়ক

বিজেপি ছেড়ে কারা এলেন তৃণমূল, কতজন বিধায়ক

এখন পর্যন্ত চারজন বিজেপি বিধায়ক ফিরে এসেছেন তৃণমূলে। তার মধ্যে প্রথমজন হলেন বিজেপির কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক মুকুল রায়। দ্বিতীয় জন বিষ্ণুপুরের বিজেপি বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। তারপর বাগদার বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস ও কালিয়াগঞ্জের বিজেপির বিধায়ক সৌমেন রায় রয়েছেন। প্রত্যেককেই নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দলে ফেরানো হয়েছে।

অনেক বিজেপি বিধায়ক তৃণমূলে ফিরতে মরিয়া হয়ে রয়েছেন

অনেক বিজেপি বিধায়ক তৃণমূলে ফিরতে মরিয়া হয়ে রয়েছেন

বিজেপিতে দমবন্ধ পরিবেশের দাবি তুলে তৃণমূলে ফিরে এসেছেন তাঁরা। এখনও অনেকে এই দাবি তুলে অপেক্ষায় রয়েছেন। কবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবুদ সংকেত দেন, তারপর তাঁরাও দলে ফিরবেন। তৃণমূল বিপুল জয় হাসিল করার পরই বলেছিল- অনেক বিজেপি বিধায়ক তৃণমূলে ফিরতে মরিয়া হয়ে রয়েছেন। শুধু ইঙ্গিত করলেই তাঁরা বিজেপির গেরুয়া পতাকা ছেড়ে তৃণমূলের তেরঙ্গা হাতে তুলে নেবেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবুজ সংকেত দিলেই বিজেপিতে ভাঙন

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবুজ সংকেত দিলেই বিজেপিতে ভাঙন

তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোয দাবি করেন, বিজেপির বহু বিধায়ক, নেতা-নেত্রী ফের তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন। সময় ও সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা। তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব ধীরে চলো নীতি নিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবুজ সংকেত দিলেই বিজেপির আরও নেতানেত্রী যোগ দেবেন তৃণমূলে। এখন অপেক্ষা করা ছাড়া গত্যান্তর নেই।

স্থানীয় নেতৃত্বর অনুমোদন পেলেই সবুজ সংকেত শীর্ষ নেতৃত্বের

স্থানীয় নেতৃত্বর অনুমোদন পেলেই সবুজ সংকেত শীর্ষ নেতৃত্বের

মুকুল রায়ের যোগদানের পরবর্তী সময়ে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে সোনালি গুহ, সরলা মুর্মু, অমল আচার্য, দীপেন্দু বিশ্বাস-সহ অনেকেই আবেদন জানিয়েছিলেন তৃণমূলে ফেরার জন্য। কিন্তু শীর্ষ নেতৃত্ব অজানা আশঙ্কায় এখনও সবুজ সংকেত দেয়নি। তৃণমূল স্থানীয় নেতৃত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করেই কাউকে দলে ফেরাতে সম্মত হচ্ছে নেতৃত্ব। যেখানে স্থানীয় ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে, সেখানে শীর্ষ নেতৃত্ব এগোচ্ছে না বিজেপি নেতাদের দলে নিতে।

খবরের ডেইলি ডোজ, কলকাতা, বাংলা, দেশ-বিদেশ, বিনোদন থেকে শুরু করে খেলা, ব্যবসা, জ্যোতিষ - সব আপডেট দেখুন বাংলায়। ডাউনলোড Bengali Oneindia

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+