তৃণমূলে জনসংযোগের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ! ‘দিদিকে বলো’র ধাঁচে ‘বিধায়ককে বলো’ কর্মসূচি
তৃণমূলে জনসংযোগের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ! ‘দিদিকে বলো’র ধাঁচে ‘বিধায়ককে বলো’ কর্মসূচি
২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে আশানুরূপ ফল করতে পারেনি তৃণমূল। তারপরই প্রশান্ত কিশোর তৃণমূলের ভোট কৌশলীয় দায়িত্ব নিয়ে শুরু করেছিলেন 'দিদিকে বলো'। এবার সেই 'দিদিকে বলো'র ধাঁচেই শুরু হল 'বিধায়ককে বলো'। জনসংযোগের আর এক ধাপ শুরু হল তৃণমূলে। তবে এবার এই কর্মসূচির প্রণেতা খোদ বিধায়ক।

‘দিদিকে বলো’র ধাঁচে ‘বিধায়ককে বলো’
'দিদিকে বলো'র ধাঁচে নয়া এই জনসংযোগ কর্মসূচি চালু করেছেন তৃণমূলের বিধায়ক দেবাশিস কুমার। তবে শুধু রাসবিহারীর বিধায়কই নন এই একই জনসংযোগ কর্মসূচি নিয়েছেন রাজারহাট-গোপালপুর কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক অদিতি মুন্সিও। দেবাশসি কুমারের কর্মসূচির নাম 'বিধায়ককে বলো'। আর অদিতি মুন্সির কর্মসূচির নাম 'আমার কথা বিধায়কের কাছে'।

‘বিধায়ককে বলো’ কর্মসূচিতে জনসংযোগ
লোকসভা নির্বাচনের পর 'দিদিকে বলো' কর্মসূচি সাড়া ফেলে দিয়েছিল। সেখানেও বিধায়ককে জনসংযোগে শামিল হতে হয়। এবার সরাসরি বিধায়ক এককভাবে জনসংযোগ কর্মসূচির ডাক দিলেন। 'বিধায়ককে বলো' কর্মসূচিতে মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগস্থাপন করতে চাইছেন তৃণমূল বিধায়কেরা।

‘বিধায়ককে বলো’ অভিযান শুরু তৃণমূলের
'দিদিকে বলো' পরে তৃণমূলে চালু হয়েছিল 'এক ডাকে অভিষেক' কর্মসূচি। সেই পদাঙ্ক অনুসরণ করে এবার বাংলার দুই বিধায়ক চালু করলেন 'বিধায়ককে বলো' অভিযান। আসলে এই কর্মসূচি প্রযুক্তি নির্ভর। নতুন প্রজন্মের সঙ্গে সংযোগসাধনে তাই সেই প্রযুক্তির উপরই নির্ভর করতে চাইছেন তৃণমূল বিধায়করা। সামাজিক প্রকল্প থেকে শুরু করে নানাবিধ সমস্যার কথা এলাকাবাসী জানাতে পারবে বিধায়ককে।

‘আমার কথা বিধায়কের কাছে’ হেল্পলাইন
এই 'বিধায়ককে বলো'-তে গিয়ে সরাসরি আপনার কথা তুলে ধরতে পারবেন আপনি। দক্ষিণ কলকাতা জেলার সভাপতি তথা রাসবিহারী কেন্দ্রের বিধায়ক দেবাশিস কুমার এই বার্তা দিয়েছেন। একই পথে হেঁটেছেন রাজারহাট-গোপালপুর কেন্দ্রের বিধায়ক অদিতি মুন্সিও। তিনি চালু করেছেন 'আমার কথা বিধায়কের কাছে' হেল্পলাইন। এই হেল্প লাইনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চালু করা প্রকল্প ও পরিষেবা তিনি মানুষের দরবারে পৌঁছে দিতে এই উগ্যোগ নিয়েছেন। সে জন্য তিনি একটি নম্বর দিয়েছেন। ৬২৮৯৮৯৬৬৫৮ নম্বরে ফোন বা হোয়াটস অ্যাপ করলেই মিলবে পরিষেবা।

দুই বিধায়ক নিলেন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
দুই বিধায়ক জনসংযোগে নতুন এই উদ্যোগ নিয়েছেন। এখন দেখার তাঁদের পথ ধরে অন্য বিধায়করাও এই রাস্তায় হাঁটেন কি না। তৃণমূল কংগ্রেস আশাবাদী, তাঁদের বিধায়ক ও নেতারা সবাই মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবেন। মানুষের দুয়ারে পরিষেবা পৌঁছে দিতে জনসংযোগের নতুন নতুন রাস্তা তৈরি করবেন। তৃণমূল বরাবর বলে এসেছে মানুষই তাদের শক্তি। তাই মানুষকে সঙ্গে নিয়ে চলতে দুই বিধায়ক নিলেন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।












Click it and Unblock the Notifications