২০২১-এর মতো জবাব দিতে হবে বিজেপিকে, ২০২৩-এর পঞ্চায়েত জয়ের মন্ত্র তৃণমূলের

২০২১-এর নির্বাচনে বিজেপিকে যেভাবে জবাব দিয়েছিল বাংলার মানুষ, আসন্ন ২০২৩-এর পঞ্চায়েত নির্বাচনেও তৃণমূল চাইছে বিজেপিকে একইভাবে জবাব দিক বাংলা। ডোমজুড়ের কর্মিসভায় একযোগে বিজেপি ও বামকে আক্রমণ করে এই বার্তা দিলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।

পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঘোষণা এখনও হয়নি। তবে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এখন থেকেই ঘর গোছাতে নেমে পড়ল তৃণমূল। রবিবার বিকেলে ডোমজুড়ের প্রাচ্য ভারতী স্টেডিয়ামে হাওড়া জেলা সদর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের এক বুথভিত্তিক কর্মিসভায় তৃণমূল কর্মীদের ভোট-জয়ের পন্থা বাতলে দিলেন।

২০২১-এর মতো জবাব দিতে হবে বিজেপিকে, ২০২৩-এর পঞ্চায়েত জয়ের মন্ত্র তৃণমূলের

এদিনের সভা থেকে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ, সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, জেলা সভাপতি কল্যাণ ঘোষ প্রমুখ বিজেপিকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন। সিপিএমের বিরুদ্ধেও সরব হন তাঁরা। কুণাল ঘোষ বলেন, বিজেপি কোনো ইস্যু খুঁজে পাচ্ছে না। তাই ওরা কুৎসা করে চলেছে।

সিপিএমকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, যতবার ভোট হবে ততবার সিপিএম হারবে। আর বিজেপি? নন্দীগ্রামে এদিনের সভা ফ্লপ হয়েছে। তাঁর কথায়, বিজেপির প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতি মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। তার পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

তিনি বলেন, মানুষকে বোঝাতে হবে কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল সরকারকে দরকার। মমতার রান্নাঘরে দু'একটা পচা আলু যেগুলো ছিল সেগুলো জানালা দিয়ে বাইরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আর বাইরে অমিত শাহ, শুভেন্দুরা সেগুলো বাইরে থেকে কুড়িয়ে নিয়েছে।

২০২১-এর মতো জবাব দিতে হবে বিজেপিকে, ২০২৩-এর পঞ্চায়েত জয়ের মন্ত্র তৃণমূলের

এদিন শুভেন্দুকে একহাত নিয়ে কাঁথির মেজো খোকা বলেন, সভা ডেকেছিল নন্দীগ্রামে। সেই সভা আজকে ফ্লপ হয়েছে। নন্দীগ্রামে ওদের পায়ের তলার মাটি সরছে। তৃণমূল কংগ্রেস এমন একটা শক্তি যাদের মোকাবিলা করা ওইসব নেতাদের কাজ নয়, নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহরাই মোকাবিলা করতে পারেননি!

২০২১-এর মতো জবাব দিতে হবে বিজেপিকে, ২০২৩-এর পঞ্চায়েত জয়ের মন্ত্র তৃণমূলের

তিনি বলেন, শুধু বিজেপির বিরুদ্ধে আমরা বলব তা নয়, সিপিএমকেও মানুষ যেন ভুলে না যায়। সিপিএমের সেই অত্যাচারের দিনগুলোর কথা ভুলে গেলে চলবে না। এখন লাল ঝান্ডা হাতে যাদের দেখা যাচ্ছে, ওরাই তো বুথে বুথে গিয়ে বিজেপিকে ভোট দেবে। আগে ওরা নিজেদের ভোট ফিরে পাক, তারপরে ওরা লড়াই করতে আসবে।

এদিনের সভায় ড: শশী পাঁজাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, বুথকর্মীদের অনেক বড় দায়িত্ব রয়েছে। ধর্মীয় আবেগকে নিয়ে বিজেপি রাজনীতি করতে চাইছে। রামনবমীর মিছিলে সেটা প্রমাণ হয়ে গেছে। ধর্মীয় মিছিলে বন্দুক নিয়ে যাচ্ছে তারা। এই ধর্মীয় আবেগ নিয়ে রাজনীতি করা যায় না।

তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূলকে বদনাম করে মমতাকে শেষ করা যাবে না। বিজেপিকে কীভাবে হারাতে হয় সেটা আপনারা দেখিয়ে দিয়েছেন ২০২১ সালে। সেইভাবেই আবার বিজেপিকে হারিয়ে নির্বাচন করতে হবে। ২০২৩-এও হারাতে হবে, হারাতে হবে ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনেও।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+