তৃণমূল বনাম তৃণমূল দ্বন্দ্ব মিটিয়ে টলমল ‘গদি’ রক্ষা চেয়ারম্যানের! তবু বিরোধ সেই রয়েই গেল
ইংরেজবাজার পুরসভায় জট আপাতত কাটল। নীহাররঞ্জন ঘোষই পুরসভায় চেয়ারম্যান থাকছেন। রাজ্য নেতৃত্বের বার্তা এদিন কড়া ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয় ইংরেজবাজার পুরসভার কাউন্সিলরদের।
ইংরেজবাজার পুরসভায় জট আপাতত কাটল। নীহাররঞ্জন ঘোষই পুরসভায় চেয়ারম্যান থাকছেন। রাজ্য নেতৃত্বের বার্তা এদিন কড়া ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয় ইংরেজবাজার পুরসভার কাউন্সিলরদের। মালদহ জেলার পর্যবেক্ষক গোলাম রব্বানি সেই বার্তা দিলেও সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন না প্রাক্তনমন্ত্রী তথা প্রাক্তন চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীর অনুগামীরা।

সবাই একসঙ্গে রয়েছি, বার্তা
রব্বানি জানান, তাঁদের দলের কোনও কোন্দল নেই। সবাই একসঙ্গে রয়েছে। কিছু ঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়েছিলেন কাউন্সিলররা। তাঁদের অভিযোগ শোনা হয়েছে। সেইসব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। এজন্য একটা তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তা নিয়ে আবার একাংশের মধ্যে প্রশ্ন উঠে পড়েছে।

সার্বিক ঐক্য চোখে পড়েনি
এদিন বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলর কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীকে বোঝাতে দফায় দফায় বৈঠক করেন জেলা সভানেত্রী মৌসম বেনজির নুর, পর্যবেক্ষক গোলাম রব্বানি। তবে এরপরও সার্বিক ঐক্য চোখে পড়েনি। কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ বা তাঁর অনুগামীদের দেখা মেলেনি একত্রে।

২৪-এর ১৪ জনের হাজিরা
মৌসম বেনজির নুর মোট ২৪ জন কাউন্সিলরকে তলব করেছিলেন। কিন্তু তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে এসেছিলেন মাত্র ১৪ জন কাউন্সিলর। কৃষ্ণেন্দুনারায়ণের অনুগামী ১০ জন কাউন্সিলর অনুপস্থিত ছিলেন। তবে বিক্ষুব্ধ ১৫ জনের মধ্যে পাঁচ জন কাউন্সিলর এদিন উপস্থিত ছিলেন।

১৫ জন কাউন্সিলরের অনাস্থা
উল্লেখ্য, ওই ১৫ জন কাউন্সিলরই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনেন। নীহাররঞ্জন ঘোষের আসন টলমল হয়ে পড়ে। তৃণমূল নেতৃত্বের গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে চলে আসে। অবশেষে রাজয নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে এ যাত্রায় অস্থিরতা দূর করা হয়। তবে এখনও ১০ জন কাউন্সিলরের মন পাওয়া যায়নি। বিক্ষুব্ধদের মধ্যে ভাঙন দেখা দেওয়ায় তৃণমূলের গড় রক্ষা হয়।












Click it and Unblock the Notifications