সব বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক তৃণমূলের! সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপির বিরুদ্ধে প্রচারের নির্দেশ
দলের সব বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের। করোনা আবহে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই বৈঠক হয়। হাজির ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সি ও প্রশান্ত কিশোর।
দলের সব বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের। করোনা আবহে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই বৈঠক হয়। হাজির ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সি ও প্রশান্ত কিশোর। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপির বিরুদ্ধে প্রচারের নির্দেশ দেওয়া তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে।

১৩ থেকে ১৮ মে সাংবাদিক বৈঠক তৃণমূলের
১৩ মে থেকে ১৮ মে পর্যন্ত জুম অ্যাপে সাংবাদিক বৈঠক করবেন তৃণমূল বিধায়করা। প্রতিদিন ৫০ জন করে বিধায়ক এই সাংবাদিক বৈঠক করবেন বলে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে ঠিক করা হয়েছে। বিজেপি মিথ্যা বলছে, অপপ্রচার চালাচ্ছে, প্রচারে সেই দাবিই করা হবে। করোনায় গুজরাতের থেকে বাংলার অবস্থা অনেকটাই ভালো, প্রচারে সেই দাবিও তুলে ধরা হবে।

পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে নির্দেশ
পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে বিজেপির অপপ্রচার মোকাবিলায় জোরালোভাবে প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের তরফে। পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে রাজ্য সরকার যে ট্রেন, বাসের ব্যবস্থা করেছে। পরিষ্কার রূপরেখা তৈরি করে সবাইকে ফেরাচ্ছে রাজ্য সরকার, এই প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রেশন নিয়ে নির্দেশ
রেশন নিয়ে কারও যাতে অসুবিধা না হয়, সেদিকে জনপ্রতিনিধিদের নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেজন্য সবসময় পাশে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মানুষের সঙ্গে ভাল ব্যবহারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং বজার রেখে মানুষের পাশে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজ্যের বকেয়া মেটানোর দাবি অভিষেকের
সূত্রের খবর অনুযায়ী, কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের বকেয় রয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা। সেই টাকা কেন্দ্রের কাছে দাবি করে, দাবি তোলার নির্দেশ দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিজেপি বিদ্যুৎ বিল মকুবের দাবি করছে। রাজ্যের প্রাপ্য টাকা কেন্দ্রীয় সরকার দিলে বিদ্যুৎ বিল মকুব কেন, অনেক কিছু করতে পারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্র সরকারি কর্মচারীদের ডিএ কেটেছে, অনেক রাজ্য সরকার বেতন কাটছাঁট করেছে। বাংলায় কিন্তু এপ্রিলের পর মে মাসেও পয়লা তারিখের মধ্যেই বেতন পেয়ে গেছেন সকলে। অথচ এ সব প্রচারে আসছে না। তাই জোরদার প্রচার করতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকার আর্থিক বিষয়ে বিমাতৃসুলভ আচরণ করলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় ৬৮টি কোভিড হাসপাতাল গড়েছেন। পিপিই-সহ সুরক্ষা সরঞ্জাম পর্যাপ্ত পরিমাণে দিয়েছেন। করোনা চিকিৎসায় অসুবিধা নেই, অনেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাও বিজেপি নোংরামি করছে। এর বিরুদ্ধে প্রচার চালাতে হবে। মানুষের কাছে বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে হবে।

চোখ কান খোলা রেখে কাজের নির্দেশ পিকের
চোখ কান খোলা রেখে কাজের কথা বলেছেন প্রশান্ত কিশোর। তিনি বলেছেন আত্মতুষ্টির জায়গা নেই। ৯৯ জন কিছু পেলেও একজন না পেলে সেটাই বড় করে দেখানো হবে। পিকে জানিয়েছেন, তাঁর টিম প্রায় ১৫ হাজার লোকের সঙ্গে কথা বলেছেন। লোকের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে প্রচারের জোর দিয়ে সেই ক্ষোভে প্রলেপ দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
এদিনের বৈঠকে বিধায়করা ছাড়াও, সাংসদ, জেলা সভাপতি, জেলা যুব সভাপতি-সহ প্রায় ৫০০ জন যোগ দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications