বাংলাকে অশান্ত করার পরিকল্পনা, বিজেপির বিরুদ্ধে প্ররোচনার অভিযোগ শশীর
রাজ্যকে অশান্ত করার চেষ্টা চলছে। গুজরাত, মহারাষ্ট্র, বিহার- এমন অনেক রাজ্যেই ধর্মীয় মিছিলে অশান্তি হয়েছে। কিন্তু শুধু বাংলাকে নিয়ে আলোচনা কেন, প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল নেত্রী শশী পাঁজা। এই ঘটনাকে ডিপ রুটেড কনস্পিরেসি বলে অভিহিত করে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন তিনি।
শশী পাঁজা বলেন, বিজেপি হাওড়া ও হুগলিতে পরিকল্পনামাফিক এই ঘটনা ঘটিয়েছে। সুকান্ত মজুমদার অস্বীকার যদি করেন তাহলে বারণ করেননি কেন। তাহলে এদের মধ্যে দ্বিচারিতা আছে। সুকান্ত মজুমদার বন্দুক নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। রামনবমীতে অশান্তি হচ্ছে, আবার হনূমান জয়ন্তীতে অশান্তি করার পরিকল্পনা করছে ওরা।

রামনবমী ও হনুমান জয়ন্তীকে হাতিয়ার করে ঝামেলা পাকানোর চেষ্টা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্নায় বসেছেন বাংলার জন্য। আমাদের সাংসদেরা সংসদে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্তকের সঙ্গে আলোচনা করতে চাইছে। প্রাপ্য না পেলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যাবেন তাঁরা।
শশীদেবী বলেন, শ্যামবাজারে বিরোধী দলনেতা ধর্নায় বসার আগে টিভিতে নজর রাখতে বলেছিলেন, তিনি কী দেখার জন্য বলেছিলেন। টিভিতে নজর রেখে তো হাওড়ার ঘটনা দেখা গেল। তাহলে স্পষ্ট বিজেপি পরিকল্পনা করেই এই অশান্তির বীজ বপন করেছে।

অনুরাগ ঠাকুর বলেছিলেন গোলি মারো গাদ্দারও কো। কেনো অসংসদীয় ভাষা ব্যবহার করা নেতা বাংলায় না আসাই ভালো। কম্যুনাল হারমোনিকে নষ্ট করছে বিজেপি। দিলীপ ঘোষ হুগলিতে প্ররোচনা দিয়ে ঝামেলা বাধিয়েছেন, সুকান্ত মজুমদার তারপর ওখানে যেতে গিয়ে ড্রামা করলেন, লকেট চট্টোপাধ্যায় সারাবছর সংসদে থাকেন না, হুগলিতে গিয়ে ঝামেলা পাকাচ্ছেন।
বিজেপির অভিযোগ নিয়োগ দুর্নীতি থেকে নজর ঘোরাতে তৃণমূল এই ঘটনা ঘটিয়েছে। সে প্রসঙ্গে শশী বলেন, আমরা রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া নই, মুখ্যমন্ত্রী ধরনায় বসেছেন বাংলার জন্য। আর এরা নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে নিয়োগ দুর্নীতির কথা বলছেন।

কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিএম সাগরদিঘি উপনির্বাচনে তণমূলের হার নিয়ে লাফালাফি করছে। একজন বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর কীভাবে অশ্রাব্য ভাষা প্রয়োগ করে। তাঁর বিরুদ্ধে ইনভেস্টিগেশন চলছে। আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর মনে রাখবেন আদানি একটা বড় বিষয়, তা থেকে নজর ঘোরাতে বিজেপি এমন করছে।
শশী পাঁজা আরও বলেন, অবিজেপি রাজ্যে সরকার গঠন হলে পয়সা দিয়ে প্রলোভন দেখিয়ে সিবিআই-ইডি দেখিয়ে দল ও সরকার ভাঙানো হয়। এটাও ইকোনমিক ক্রাইম। কেন এসব নিয়ে কথা হয় না। আমরা আইন মেনেই কাজ করি। মিছিল হলে কোন রুটে হবে, কারা থাকবে- সব আমরা জানাই। একটা প্রসেশন আপনি নিয়ে যাবেন কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই?

বিজেপি নির্বাচন এলেই ৩৫৬ ধারা জারির দাবি করে। বিজেপি এখন দুই উপদ্রুত এলাকায় ৩৫৫ ধারা নিয়ে রাজ্যপালের রিপোর্ট দেওয়ার দাবি তুলছেন। রাজ্যপাল হাওড়া হুগলির ক্ষেত্রে রিপোর্ট দেবেন বলেছিলেন। শশী পাঁজা বলেন, নির্বাচন এলেই বিজেপি প্রেসিডেন্ট রুল নিয়ে কথা বলে। কিন্তু এগুলো কার্যকর করতে পারবে না।












Click it and Unblock the Notifications