মুকুলের এক চালে 'খোঁড়া' তৃণমূলের হেভিওয়েট ‘ঘোড়া’! ভোটের মরশুমে ‘গৃহবন্দি’
মুকুল রায় তাঁর বাড়িতে স্রেফ লুচি-আলুর দম খেতে গিয়েছিলেন। তারপর রাজনীতির ময়দানে অনেক ঝড় বয়ে গিয়েছে। সব্যসাচী দত্ত চারপরও অবিচল তৃণমূল কংগ্রেসে।
মুকুল রায় তাঁর বাড়িতে স্রেফ লুচি-আলুর দম খেতে গিয়েছিলেন। তারপর রাজনীতির ময়দানে অনেক ঝড় বয়ে গিয়েছে। সব্যসাচী দত্ত চারপরও অবিচল তৃণমূল কংগ্রেসে। সম্প্রতি মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসুর ডাকে সাড়া দিয়ে গিয়েছিলেন প্রচারে। তারপরও ডাক আসেনি প্রচারে। এখন তৃণমূলের হেভিওয়েট বসে রয়েছেন, কখন ডাকবেন কাকলি, প্রচারে ঝড় তুলবেন সব্যসাচী।

আলুর দম রাজনীতির কোপে সব্যসাচী
এবার সব্যসাচী দত্তের বিধানসভা ক্ষেত্র কাকলি ঘোষ দস্তিদারের লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়েছে। তবু তাঁর ডাক পড়েনি। মুকুল রায়ের আলুর দম রাজনীতির কোপে পড়তে হয়েছে তাঁকে। তারপর তাঁকে নিয়ে নানা জল্পনা, নানা প্রচার ছিল। তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলেও জোর চর্চা চলছিল রাজনৈতিক মহলে।

ভোটের ভরা মরশুমে ‘গৃহবন্দি’
এখন সেই পর্ব অতীত হলেও তৃণমূল কংগ্রেস তাঁকে প্রচারে কাজে লাগাচ্ছে না। তিনি একপ্রকার ‘গৃহবন্দি' লোকসভা ভোটের ভরা মরশুমে। মঙ্গলবার বারাসত আদালতে একটি পুরনো মামলায় হাজিরা দিতে এসে বিধাননগরের মেয়র বলেন, তিনি প্রচারে যাওয়ার জন্য পা বাড়িয়ে রয়েছে। প্রার্থী ডাকলেই তিনি যাবেন প্রচারে।

অশনি সংকেত দেখছে তৃণমূল
বিধাননগরের মেয়রের এই মন্তব্যে অশনি সংকেত দেখছে তৃণমূল। রাজনৈতিক মহল নানা অঙ্ক কষা শুরু করেছেন। যে চোরাস্রোত বইছে বাংলার রাজনীতিতে, তার জেরে আখেরে কার লাভ হবে, তা নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে। আর এসব হয়েছে মুকুলের এক চালেই। তৃণমূলের একটা ঘোড়াকে তিনি খোঁড়া করে দিতে পেরেছেন।

‘রিটায়ার্ড হার্ট’ করে দিয়েছেন
অর্জুন সিং, সৌমিত্র খাঁ, অনুপম হাজরার পর বড় উইকেট তৃণমূলের পড়েনি ঠিকই, কিন্তু তৃণমূলের বড় ব্যাটসম্যানকে তিনি ‘রিটায়ার্ড হার্ট' করে দিতে পেরেছেন। এটাই সাফল্যে মুকুল রায়ের। এখন দেখার ভোটের ফলে তার কোনও প্রভাব পড়ে কি না। উল্লেখ্য, সব্যসাচীর নিজের ওয়ার্ডে তৃণমূলের ভোট সামলাচ্ছেন অন্য নেতা।












Click it and Unblock the Notifications