শুভেন্দুর মন্তব্যেই আড়িপাতার প্রমাণ! গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি তৃণমূলের
শুভেন্দু অধিকারীকে (suvendu adhikari) গ্রেফতার করে জেরা শুরু করার দাবি তুলল তৃণমূল কংগ্রেস (trinamoll congress)। ফোনে আড়িপাতা কাণ্ডে এই দাবি তোলা হয়েছে। এব্যাপারে এদিন টুইট করেন তৃণমূল (trinamool congress) নেতা কুণ
শুভেন্দু অধিকারীকে (suvendu adhikari) গ্রেফতার করে জেরা শুরু করার দাবি তুলল তৃণমূল কংগ্রেস (trinamoll congress)। ফোনে আড়িপাতা কাণ্ডে এই দাবি তোলা হয়েছে। এব্যাপারে এদিন টুইট করেন তৃণমূল (trinamool congress) নেতা কুণাল ঘোষ (kunal ghosh)। তাঁর (কুণাল) দাবি, শুভেন্দু অধিকারী নিজেই দাবি করেছেন, তাঁর কাছে ফোনকলের রেকর্ড রয়েছে।

শুভেন্দু আড়ি পাতার কথা নিজেই স্বীকার করেছেন, দাবি তৃণমূলের
শুভেন্দু অধিকারীর কথার সূত্র ধরেই তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের দাবি, ফোনে আড়ি পাতার কথা শুভেন্দু অধিকারী নিজেই স্বীকার করেছেন। কুণালের আরও দাবি, শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোনের কল রেকর্ডও তার কাছে রয়েছে।

নাম না করে শুভেন্দুকে কটাক্ষ
তবে কুণাল ঘোষ কোথাও শুভেন্দু অধিকারীর নাম করেননি। তিনি টুইটে এলওপি বলে সম্বোধন করেছেন। যার অর্থ হল বিরোধী দলনেতা(লিডার অফদ্য অপোজেশন)। তবে টুইটে শুভেন্দু অধিকারীকে কুণাল ঘোষ এলওপির অর্থ লিমিটলেস অপারচুনিস্ট অর্থাৎ অপরিসীম সুবিধাবাদী বলে কটাক্ষ করেছেন।

শুভেন্দুকে গ্রেফতারের দাবি
কুণান ঘোষের দাবি, যে কথা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, তাতে ফোনে আড়ি পাতা প্রমাণিত। তাই তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যাপাধ্যায়ের কাছে অনুরোধ করেছেন, তদন্ত শুরু করে, হেফাজতে নিয়ে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করা হোক। পাশাপাশি ঘোটা চক্রান্ত প্রকাশ্যে আনা হোক, দাবি তুলেছেন এই তৃণমূল নেতা।

তমলুকে শুভেন্দু অধিকারীর দাবি
সোমবার তমলুকের নিমতৌড়িতে এসপি অফিসের সামনে সভা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, বিধানসভার ফল বেরনোর পর থেকে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ওপরে হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল। বিজেপি কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ করে তিনি প্রশাসনিক আধিকারিকদের একহাত নেন। জেলার পুলিশ সুপারের নাম করে বলেন, একটা বাচ্চা ছেলে এসেছে। তিনি (পুলিশ সুপার) কী করছেন, কাকে কাকে ডাকছেন তিনি (শুভেন্দু) সব জানেন। বিরোধী দলনেতা হুঁশিয়ারপি দিয়ে বলেন, তিনি (পুলিশ সুপার) এমন কাজ যেন না করেন, যাতে তাকে কাশ্মীরে বদলি হতে হয়। এরপর তিনি জেলার পুলিশ আধিকারিকদের নাম করে সিবিআই তদন্তের হুঁশিয়ারি দেন। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সেখানে তিনি বলেন. প্রত্যেক ফোন করেল রেকর্ড তাদের কাছে রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications