তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরেই সমান্তরাল দল চালাচ্ছেন প্রাক্তন সভাপতি! সিঁদূরে মেঘ একুশের আগে
তৃণমূলের অন্দরেই সমান্তরাল দল চালাচ্ছেন প্রাক্তন সভাপতি! সিঁদূরে মেঘ একুশের আগে
২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে হার মানতে হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। আটটি কেন্দ্রেই হেরেছে তৃণমূল শিবির। এই অবস্থায় আসন্ন ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে জেলায় জেলায় একতার বার্তা দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু মমতার সেই আবেদন শিকেয় তুলে সমানে চলছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। সমানে চলছে জলপাইগুড়ি জেলা কমিটির কোন্দল।

তৃণমূলের জেলা সভাপতি ও প্রাক্তন সভাপতির লড়াই
স্বভাবতই তৃণমূলে জেলা সভাপতি ও প্রাক্তন সভাপতির লড়াই এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে জলপাইগুড়িতে তৃণমূলের অন্দরেই দুটি দল সমান্তরাল ভাবে চলছে। একাধিক তৃণমূল নেতা-নেত্রীর হস্তক্ষেপেও ক্ষেপেও রফ গলেনি। দুই নেতাই তাঁদের তাঁদের জায়গায় অনড় রয়েছেন। ২০২১ নির্বাচনের আগে চাপে তৃণমূল কংগ্রেস।

দলে নেতৃত্বের অভাব রয়েছে, সংকট বাড়বে
জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের সভাপতি কিষাণকুমার কল্যাণীর বিরুদ্ধে ফের একবার সরব হয়েছেন বর্ষীয়ান নেতা তথা জলপাইগুড়ি পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান মোহন বসু। তিনি কিষাণকুমার কল্যাণ্যীর নেতৃত্ব নিয়ে সরব হন। তিনি বলেন, দলে নেতৃত্বের অভাব রয়েছে। অনেক নেতাই দলীয় কর্মসূচিতে আসছেন না শুধু সঠিক হাতে নেতৃত্বের অভাবে। ভবিষ্যতে আরও সংকট বাড়বে।

সমান্তরালভাবে একটা পৃথক দল চলছে
তাঁর এই ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে তৃণমূলে ফের দ্বন্দ্ব শুরু হয়ে গেল। এর ফলে প্রশ্ন উঠেছে জেলা সভাপতির সঙ্গে যদি এভাবেই বিরোধের মাত্রা বাড়তে থাকে, তৃণমূলের পক্ষে জেলায় কামব্যাক করা কঠিন হয়ে যাবে। দলের অন্দরেই বিভাজন রেখা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তৃণমূলের মধ্যে জেলায় দুটি দল চলছে। সমান্তরালভাবে একটা পৃথক দল চালাচ্ছেন মোহন বসুও। তাঁর সঙ্গেও রয়েছেন অনেকে।

তৃণমূল দু-রকম সমস্যায় পড়তে পারে
বর্তমান পরিস্থিতিতে এই জেলায় তৃণমূল দু-রকম সমস্যায় পড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা। প্রথম সমস্যা, তৃণমূলের এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকে কাজে লাগিয়ে বিরোধীরা বাজিমাত করার চেষ্টা করবে। আবার এমনও হতে পারে তৃণমূলের এই গোষ্ঠী কোন্দলকে কাজে লাগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ভাঙিয়ে বিজেপি বা বিরোধী দল শক্তিধর হয়ে উঠল।

সবাইকে একসঙ্গে চলার অঙ্গীকার বিশ বাঁও জলে
এদিন জেলা তৃণমূল সভাপতি কিষাণকুমার কল্যাণী বলেন, এখন দলের অবস্থা অনেক ভালো। মোহনবাবুর আমলে বরং দল বিপাকে ছিল। সংগঠনের বেহাল দশা ছিল। এই পরিস্থিতিতে জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর ও মুখপাত্ররা বর্তমান ও প্রাক্তন সভাপতিকে এক জায়গায় আনার পরিকল্পনা করছেন। সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে চলার অঙ্গীকার করাতে চাইছেন সবাইকে দিয়ে।
{quiz_339}












Click it and Unblock the Notifications