অনুব্রত ভয় পান বিজেপিকে! মনে পড়ে যায় ’৭৭-৭৮ সালের সিপিএম আমলের কথা
নিজের গড়ে বিজেপি, সিপিএম, কিংবা কংগ্রেস- কাউকেই দাঁত ফোটাতে দেননি তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এখন তিনি এখন বলছেন- ‘ভয়ের রাজনীতি করে না তৃণমূল।’
নিজের গড়ে বিজেপি, সিপিএম, কিংবা কংগ্রেস- কাউকেই দাঁত ফোটাতে দেননি তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। ভোটের আগেই ভোট শেষ করে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে জেলা পরিষদ বিরোধীশূন্য করেছেন তিনি। এখন তাঁর মুখেই অন্য সুর শোনা যাচ্ছে। তিনি এখন বলছেন- 'ভয়ের রাজনীতি করে না তৃণমূল। বরং আমারই তো ভয় লাগে বিজেপিকে।'
এদিন বীরভূমে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, 'বিজেপিকে তাঁর বেশ ভয় করে। রাস্তায় বেরোতেও ভয় হয়। ভয় পাই সিপিএমকেও। মনে পড়ে যায়, ৭৭-৭৮ সালের কথা। তখন সিপিএম যে ভয়ের রাজনীতি করেছে, এখন বিজেপি তেমনই রাজনীতি শুরু করছে। তাই রাস্তায় বেরোলে ভয়ে ভয়ে চলতে হয়।

ভোটের আগেই ভোট কার্যত শেষ হয়ে গিয়েছে তাঁর জেলায়। মনোনয়ন পর্বে একবার, মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর আবারও বিজয় মিছল হয়েছে অনুব্রত মণ্ডলের গড়ে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধীশূন্য জেলা পরিষদ উপহার দিয়েছেন ভাই কেষ্ট। শুধু কি জেলা পরিষদ, মনোনয়ন প্রত্যাহারের দিনেই চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে ১৬টি পঞ্চায়েত সমিতি। ১৯টির মধ্যে ১৬টি পঞ্চায়েত সমিতিই বিরোধীশূন্য। আর ১৬৭টি পঞ্চায়েতের মধ্যে ১৪০টি গ্রাম পঞ্চায়েতও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়ে গিয়েছে তৃণমূল।
অর্থাৎ এবার বীরভূমে ৩টি পঞ্চায়েত সমিতি ও ২৭টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ভোট হবে। এই প্রসঙ্গেই প্রশ্ন করা হয়েছিল বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতিকে। তার উত্তরেই তিনি সবাইকে শান্তিতে ভোট দেওয়ার আহ্বান করেছেন। আর সেইসঙ্গে বলেন, 'তৃণমূল কংগ্রেস ভয়ের রাজনীতি করে না। কাউকে ভয় দেখায় না। আমরা উন্নয়ন করে ভোট চাই।'
তিনি বলেন, 'আমি বরং ভয় পাই বিজেপি এবং সিপিএমকে। তাই রাস্তায় বেরিয়ে বুঝে শুনে চলতে হয়। ১৯৭৭ সালের সিপিএমের মতোই বর্তমানে ভয়ের রাজনীতি করছে বিজেপি।' এই কথার মাধ্যমে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, এখানে কাউকেই ভয় দেখিয়ে মনোনয়ন তোলানো হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল সরকারের উন্নয়নের জোয়ারে স্বেচ্ছায় তারা লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications