পার্থর ঘোষিত উল্টো ফর্মুলা তৃণমূলের প্রার্থীপদে, এক বিধায়ক সরলেও রইলেন দুলাল

তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের উল্টো ফর্মুলা দেখা গিয়েছে প্রার্থী তালিকায়। তা নিয়ে বিভ্রান্তি শুরু হয়েছে। তৃণমূলের প্রার্থ তালিকায় কোনও বিধায়ককে রাখা হয়নি বলে জানিয়েছিলেন তৃণমূল মহাসচিব।

তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের উল্টো ফর্মুলা দেখা গিয়েছে প্রার্থী তালিকায়। তা নিয়ে বিভ্রান্তি শুরু হয়েছে। তৃণমূলের প্রার্থ তালিকায় কোনও বিধায়ককে রাখা হয়নি বলে জানিয়েছিলেন তৃণমূল মহাসচিব। কিন্তু দেখা গিয়েছে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় রয়েছে দুই বিধায়কের নাম। পরে একজনকে বাদ দেওয়া হলেও, অন্যজনকে প্রার্থী হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

পার্থর ঘোষিত উল্টো ফর্মুলায় তৃণমূলের প্রার্থীপদে বিধায়ক

এখন প্রশ্ন উঠেছে, দল যদি এমনই সিদ্ধান্ত নেয় যে, এক ব্যক্তিকে এক পদ দেওয়া হবে। তাই বিধায়ককে পুরভোটে টিকিট দেওয়া হবে না। তাহলে কেন চাঁপদানির বিধায়ক তথা বৈদ্যবাটি পুরসভার বিদায়ী চেয়ারম্যানকে প্রার্থী করা হল? আর কেনই বা প্রার্থী করা হল মহেশতলা পুরসভার বিদায়ী চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক দুলাল দাসকে প্রার্থী করা হল?

এর আগেও দেখা গিয়েছে 'এক ব্যক্তি এক পদ' নীতি প্রণয়নের পরও কলকাতা পুরসভা নির্বাচনে একাধিক বিধায়ক-মন্ত্রীকে প্রার্থী করা হয়েছিল। তাদেরই আবার মেয়র, চেয়ারপার্সন বা মেয়র পারিষদ করা হয়েছে। এবারও বড় মুখ করে তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘোষণা করলেন, এবার কোনও বিধায়ককে প্রার্থী করা হচ্ছে পুরসভা নির্বাচনে। একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তিকে প্রার্থী করা হচ্ছে না।

তারপরও কেন দুই বিধায়ককে প্রার্থী করা হল আসন্ন পুরসভা নির্বাচনে? এটা কি দ্বিচারিতা নয়? তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘোষণার উল্টো ফর্মুলা প্রার্থী তালিকায় প্রকাশ পাওয়ার পর চাঁপদানির বিধায়ক তথা বৈদ্যবাটি পুরসভার বিদায়ী চেয়ারম্যান অরিন্দম গুঁইকে প্রার্থী না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল। শুক্রবার প্রার্থী ঘোষণার পর শনিবার অরিন্দম গুঁইকে কলকাতায় ডেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, তোমাকে প্রার্থী করা হচ্ছে না। তুমি বিধায়ক। তাই প্রার্থী করা হচ্ছে না, এটা দলের নীতি।

কিন্তু সেই নীতির প্রয়োগ করা হল না দুলাল দাসের ক্ষেত্রে। মহেশতলা পুরসভার দীর্ঘদিনের চেয়ারম্যান দুলাল দাসকে এবারও ফের প্রার্থী করা হল। তিনি বিধায়ক হয়েও টিকিট পেলেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ফলাও করে ঘোষণার পরও তিনি টিকিট পেলেন বিধায়ক হয়েও। এক বিধায়ককে সরিয়ে দেওয়া সত্ত্বেও কোনও এক অজানা কারণে সরানো হল না দুলাল দাসকে।

কলকাতা ও কলকাতার উপকণ্ঠে থাকা পুরসভাগুলির ক্ষেত্রে এই নীতি মানছে না তৃণমূল। তৃণমূলের নীতি প্রণয়ন শুধু জেলার ক্ষেত্রে। শহর ও শহরতলির জেলায় সেই নিয়ম-নীতি পদদলিত হচ্ছে। যা দেখা গিয়েছে কলকাতা পুরসভার ক্ষেত্রে, একই জিনিস দেখা যাচ্ছে মহেশতলার ক্ষেত্রেও। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট হতে চলা চার পুর নিগমের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করা হয়নি। কিন্তু এবার ফলাও করে তা ঘোষণা করা হয়েছিল। মৌলিক নীতিকে মাথায় রেখেই প্রার্থী করা হয়েছিল বলে জানিয়েছিলেন খোদ মহাসচিব।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+