নিরাশ নই, উপনির্বাচন নিয়ে কমিশনের সঙ্গে আলোচনার পর ইঙ্গিত দিলেন সুদীপ, কল্যাণরা

নিরাশ নই, উপনির্বাচন নিয়ে কমিশনের সঙ্গে আলোচনার পর ইঙ্গিত দিলেন সুদীপ, কল্যাণরা

আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের জানাল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিদল। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের দফতর থেকে বেরিয়ে জানিয়েছেন আলোচনা যে পথে হতে তাতে আমরা নিরাশ নয়। যথেষ্ট সদর্থক এবং ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও ছিলেন কাকলি ঘোষদস্তিদার, ডেরেক ও ব্রায়েন, সুখেন্দু শেখর রায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

৬ মাসের মধ্যে উপনির্বাচন করানোর কথা। কিন্তু মে পাসে ফলাফল প্রকাশের পর ২ মাস পেরিয়ে গিয়েছে এখনও উপনির্বাচন নিয়ে কোনও কথা বলছে না নির্বাচন কমিশন। তাই গত পরশুই তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল তাঁরা নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হবে। দ্রুত উপনির্বাচন করানোর দাবি জানাবেন। সেই মতো বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে গিয়েছিল তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। তাতে ছিলেন ডেরেক ও ব্রায়েন, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষদস্তিদার, সুখেন্দু শেখর রায়।

আলোচনা ফলপ্রসূ

আলোচনা ফলপ্রসূ

নির্বাচন কমিশনে গিয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর সাংবাদিকদের তৃণমূল সাংসদরা জানিয়েছেন, আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। আমরা নিরাশ নই। কমিশনে সঙ্গে উপনির্বাচন নিয়ে সদর্থক আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন একই সঙ্গে ২০টি জায়গায় উপনির্বাচন করাবে কমিশন। শুধু বাংলায় নয়। অন্যান্য রাজ্যেও আছে।

ভবানীপুরে উপনির্বাচন

ভবানীপুরে উপনির্বাচন

এবার বিধানসভা ভোটে জিততে পারেননি তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। সেই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছিল শুভেন্দু অধিকারীকে। শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হবেন তিনি। সেকারণে আগেই ভবানীপুর কেন্দ্রে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তিনি খড়দা থেকে প্রার্থী হবেন বলে জানা গিয়েছে।

নির্বাচিত হতে হবে মমতা

নির্বাচিত হতে হবে মমতা

সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী। কোনও সরকারের মুখ্যমন্ত্রী যদি ভোটে না দাঁড়িয়ে বা ভোটে হেরে গিয়ে পদে আসীন হন তাহলে তাঁকে ৬ মাসের মধ্যে নির্বাচিত হয়ে আসতে হয়। কাজেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে এখন মাত্র ৪ মাস সময় রয়েছে। সেকারণে তৃণমূল কংগ্রেস তড়িঘড়ি উপনির্বাচন করারোনর দাবি জানিয়েছে। প্রয়োজনে ৭ দিন প্রচারের সময় দিয়ে ভোট করাতে রাজি তৃণমূল কংগ্রেস।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+