"মানুষকে পরিষেবা না দিয়ে বিপ্লব, আন্দোলন হয় না", জুনিয়র চিকিৎসকদের কটাক্ষ করলেন সাংসদ কল্যাণ
আবারও জুনিয়র চিকিৎসকদের এক হাত নিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মানুষের পরিষেবা বন্ধ করে যে আন্দোলন, তা কখনও স্বার্থক হতে পারে না। এমনই দাবি জোর গলায় করেছেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ।
সরকারি হাসপাতালে জুনিয়র চিকিৎসকরা ফের কর্মবিরতিতে গিয়েছেন। অক্টোবর মাসের প্রথম দুই দিনই কলকাতায় দুটি মিছিল হয়েছে। জুনিয়র চিকিৎসকরা আন্দোলন করছেন। ১ অক্টোবর মহামিছিলের পর গতকাল জুনিয়র চিকিৎসকদের মিছিল হয়। কলেজ স্ট্রিট হয়ে ধর্মতলা পর্যন্ত এই মিছিল ছিল। ধর্মতলায় একটি সভাও হয়।

এদিকে আবারও জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলন, কর্মবিরতি সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সাধারণ মানুষ পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তিনি বলেন, " মানুষের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন। মানুষের পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য যে আন্দোলন, সেই আন্দোলন কখনও স্বার্থক হতে পারে না। এটা অসম্ভব ব্যাপার। গরিব মানুষকে ট্রিটমেন্ট না দিয়ে,গরিব মানুষের বাচ্চারা মারা যাবে। হাসপাতালে পরিষেবা দেবেন না। এটা হতে পারে না।"
সুপ্রিম কোর্টের উপর আস্থা রাখতে হবে। মানুষ একদিন এই বিষয়ে উত্তর দেবেই দেবে। থ্রেট করে ভয় দেখিয়ে কোনও দিন সরকার সরানো যায় না। জোরালো আক্রমণ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কর্মবিরতিতে গিয়ে সরকারকে জুনিয়র চিকিৎসকরা থ্রেট দিচ্ছেন। জুনিয়র চিকিৎসকদের এটা থ্রেট কালচার। তেমনই বুঝিয়ে দিলেন তৃণমূল সাংসদ।
আগেও জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনকে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল সাংসদ বুধবার সন্ধ্যায় হুগলির চণ্ডিতলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভার্চুয়াল পুজো উদ্বোধন অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে সাংসদ উপস্থিত ছিলেন। সেখানেই তিনি জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলন নিয়ে সরব হন। " দাবি পূরণ না হলে পরিষেবা দেব না। এটা কী ধরনের কথা। মানুষ যেদিন জাগ্রত হবে, মানুষের পরিষেবা বন্ধের আন্দোলন স্বার্থকতা পেতে পারে না। মানুষকে পরিষেবা না দিয়ে বিপ্লব, আন্দোলন হয় না।"
শ্রীরামপুরের সাংসদ আরও বলেন, " মানুষ ওদের ভগবান মনে করে। সেই ভগবান যদি অবহেলা করে, তাহলে আর কিছু বলার নেই।"












Click it and Unblock the Notifications