বিজেপির হয়ে কাজ করছেন! পদে পদে প্রমাণ দিচ্ছেন রাজ্যপাল, পত্রাঘাত সাংসদ কল্যাণের
পদের অপব্যাবহার করছেন রাজ্যপাল। বাংলার বর্তমান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় তাঁর সাংবিধানিক প্রধানের পদকে হেয় করছেন। নিজে একজন রাজনৈতিক নেতার মতো আচরণ করছেন।
পদের অপব্যাবহার করছেন রাজ্যপাল। বাংলার বর্তমান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় তাঁর সাংবিধানিক প্রধানের পদকে হেয় করছেন। নিজে একজন রাজনৈতিক নেতার মতো আচরণ করছেন। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের পর আর এক সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর লেখা চার পাতার চিঠিতে এভাবেই নিশানা করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে।

রাজ্যপালকে নিশানা কল্যাণের
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, রাজ্যপাল পদে পদে প্রমাণ করে দিচ্ছেন তিনি বিজেপির হয়ে কাজ করছেন। আচরণ করছেন একজন রাজনৈতিক নেতার মতো। তিনি ভুলে গিয়েছেন তিনি বসে আছেন একটা রাজ্যের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে। সেই পদে সবথেকে বড় বৈশিষ্ট্য হল নিরপেক্ষতা। কিন্তু তার লেশমাত্র ভাগ নেই তাঁর কথায়।

রাজ্যপালকে চার পাতার চিঠি
রাজ্যপাল তাঁর প্রতিটা কথায় প্রমাণ করে দিচ্ছেন, তিনি কোনও এক রাজনৈতিক দলকে প্রতিনিধিত্ব করছেন। রাজ্যপালকে দেখা যাচ্ছে একজন রাজনৈতিক নেতার মতো বিবৃতি দিতে। এটা একেবারেই আশাপ্রদ নয়। কিন্তু দিনের পর এই ঘটনা ঘটে চলেছে রাজ্যে। তাই করোনা লকডাউনের ভয়াবহ পরিস্থিতির মাঝেও এই চিঠির অবতারণা।

মমতার কুৎসা করাই কাজ
কল্যাণ এই চিঠিতে আরও লেখেন, রাজ্যের প্রশাসন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে করোনা মোকাবিলায় দারুন কাজ করছেন। আর বিজেপির নেতা থেকে শুরু করে রাজ্যপাল, এখন আবার কেন্দ্রীয় দলের প্রতিনিধিরা প্রতিনিয়ত রাজ্যকে কুৎসা করতেই তৎপর। রাজ্যকে বিব্রত রাখাই যেন ওঁদের কাজ। নিজেরা কাজের কাজ কিছু করছে না।

রাজ্যপালের সঙ্গে চিঠি চালাচালি
এর আগে রাজ্যপালকে চিঠি লেখেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর রাজ্যপালের তরফে পর পর দুটি চিঠি পাঠানো হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেই চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দোষারোপ পর্যন্ত করেন রাজ্যপাল। এরপরই রাজ্যপালকে কড়া চিঠি দেন তৃণমূলের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তাঁকেও পাল্টা দেন রাজ্যপাল। এবার আসরে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।












Click it and Unblock the Notifications