মোদীকে ধর্মগুরুর আসনে বসালেন তৃণমূল সাংসদ! প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের প্রাকমুহূর্তে তরজা তুঙ্গে
মোদীকে ধর্মগুরুর আসনে বসালেন তৃণমূল সাংসদ! প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের প্রাকমুহূর্তে তরজা তুঙ্গে
করোনা ভাইরাসের মারণ থাবা এসে পড়েছে দেশের বুকেও। সেই কা্রণেই লকডাউন চলছে দেশে। টানা ২১ দিনের লকডাউনের দ্বাদশ দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাড়ির সমস্ত আলো নিভিয়ে প্রদীপ, বাতি আর টর্চ জ্বালানোর বার্তা দিয়েছেন রাত ৯টায় ৯ মিনিট। তাঁর এই প্রচেষ্টাকে ধর্মগুরুর কাজ বলে কটাক্ষ করলেন তৃণমূল সাংসদ।

কী করা উচিত, বললেন কল্যাণ
তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যার যা ইচ্ছা, তাই করবেন। এখানে আমার বলার কিছু নেই। কিন্তু এসব করে তো কোনও লাভ নেই। যেগুলো আসল কাজ, সেগুলিই তো হচ্ছে না। আজকে মাস্ক পাওয়া যাচ্ছে না, স্যানিটাইজার পাওয়া যাচ্ছে না, সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট থেকে তো, সেগুলো পাঠানো উচিত।

প্রধানমন্ত্রীর নতুন কথা আর কী!
কল্যাণ বলেন, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সেসব তো কিছুই করছেন না প্রধানমন্ত্রী। এখন অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করা উচিত। সেটাই তো করছেন না। ধর্মগুরুরা তো বলেই থাকেন রামনবমীর প্রাক্কালে সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীর রাতে ঠাকুরঘরে প্রদীপ জ্বালানো উচিত। তা নতুন কথা প্রধানমন্ত্রী আর কী বলবেন।

প্রধানমন্ত্রী কি ধর্মগুরুর কাজ করবেন!
তৃণমূল সাংসদের কথায়, করোনা ভাইরাসের প্রকোপ শুরু হয়েছে আমাদের দেশে। এই পরিস্থিতিতে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেবেন। তাঁর প্রতি সেদিন পুরো দেশ অনেক আশা করে তাকিয়েছিল। কিন্তু তিনি তো দেখলাম ধর্মগুরু হওয়ার চেষ্টা করছেন। একজন প্রধানমন্ত্রী তো আর ধর্মগুরুর কাজ করবেন না!

যুক্তি আর পাল্টা যুক্তিতে তরজা
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর ৯ মিনিট আলো নিভিয়ে বাতি-টর্চ জ্বালানোর নিদানের পর রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। সোশ্যাল মিডিয়াতেও নানা ট্রোলড করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতির সমর্থনে ঝাঁপিয়ে পড়েন বিজেপি নেত-নেত্রীরা। তাঁরাও পাল্টা যুক্তি খাঁড়া করে। তা নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী ধর্মগুরুর আসনে বসালেন কল্যাণ।












Click it and Unblock the Notifications