‘ক্ষমতার ‘দম্ভ’ ছাডুন, নইলে ভারতী ঘোষ হতে পারেন!’ কাকে বার্তা তৃণমূল সাংসদের
ভারতী ঘোষের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে ‘সু-পরামর্শ’ বিতরণ করলেন তৃণমূল সাংসদ। ফেসবুকে তৃণমূল সাংসদ অনুপম হাজরার বিতর্কিত পোস্ট নিয়ে এখন রীতিমতো চর্চা চলছে রাজনৈতিক মহলে।
ভারতী ঘোষের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে 'সু-পরামর্শ' বিতরণ করলেন তৃণমূল সাংসদ। ফেসবুকে তৃণমূল সাংসদ অনুপম হাজরার বিতর্কিত পোস্ট নিয়ে এখন রীতিমতো চর্চা চলছে রাজনৈতিক মহলে। কাদের উদ্দেশ্যে তাঁর এই 'সু-পরামর্শ' দিতে চেয়েছেন সাংসদ, তা অবশ্য স্পষ্ট করেননি। কিন্তু তাঁর লেখনীর ধরনে তিনি যে একটা অংশকে বার্তা দিতে চেয়েছেন, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

ফেসবুকে তিনি 'লেসন' দিয়েছেন, 'ক্ষমতায় থাকাকালীন ক্ষমতার দম্ভ দেখানো বা ক্ষমতার অপব্যবহার করার আগে একটু ভাবুন। কারণ একদিন আপনিও ভারতী ঘোষ হতে পারেন।' তাঁর এই কথায় ফুটে উঠেছে, শাসক দলের একটা শ্রেণির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। তিনি বলতে চেয়েছেন, শাসক দলে একাংশ কিংবা প্রশাসনিক মহলের একটা অংশ ক্ষমতার অপব্যহার করছেন।
তাঁর কথায় ফুটে উঠেছে, কেউ কেউ স্তাবকের মতো আচরণ করছেন। তার ফল ভুগতে হচ্ছে তাঁকে। পরিস্থিতির পরিবর্তনে তাঁকেও আতস কাঁচের তলায় দাঁড়াতে হচ্ছে। তিনি ভারতী ঘোষের নাম নিয়েই বুঝিয়ে দিয়েছেন, ভারতী ঘোষ একদিন ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। আজ তিনি ফল ভোগ করছেন। এরকম অন্য জনের ক্ষেত্রেও হতে পারে।

তাই ক্ষমতার অপব্যবহার করার আগে দুবার ভাবতে পরামর্শ দিয়েছেন সাংসদ অনুপম হাজরা। তবে তাঁর এই পরামর্শে অস্বস্তিতে পড়তে হতে পারে তৃণমূলকে। তৃণমূলে যে কেউ কেউ ক্ষমতার অপব্যবহার করে, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে সাংসদের এই ফেসবুক পোস্টটে। এর আগে মুকুল রায় দল ছাড়ার আগেও ফেসবুকে বিতর্কিত পোস্ট করেছিলেন অনুপমবাবু।
তাঁর সেই পোস্ট নিয়ে বিস্তর চর্চা হয়েছিল। রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছিল, মুকুল রায় দল ছাড়লে অনুপম হাজরাও তাঁর সঙ্গী হতে পারেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে দেখা গিয়েছে মুকুল রায়ের বিজেপি-যাত্রার সঙ্গী হননি কেউই। হননি অনুপমও।
তবে ফের আর এক মমতা ঘনিষ্ঠের পদস্খলনে পরামর্শের ডালি নিয়ে সরব হতে পিছপা হলেন না সাংসদ। তা নিয়েই এখন চর্চা চলবে বেশ কিছুদিন। তবে ডাকাবুকো সাংসদের ওসবে কোনও ভ্রূক্ষেপ নেই। তিনি তাঁর খেয়ালেই আছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর পোস্ট চলছেই।












Click it and Unblock the Notifications