''যাবার সময় হল'', মমতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে দল ছাড়ার বার্তা তৃণমূল বিধায়কের
তৃণমূলকে বিদায় জানালেন খোদ তৃণমূল বিধায়ক! একেবারে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কার্যত বড় ঘোষণা হাওড়ায় উদয়নারায়ণপুরের বিধায়ক সমীরকুমার পাঁজার। একেবারে সোশ্যাল মিডিয়াতে আবেগপ্রবণ বার্তা দিয়ে সরে যা
তৃণমূলকে বিদায় জানালেন খোদ তৃণমূল বিধায়ক! একেবারে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কার্যত বড় ঘোষণা হাওড়ায় উদয়নারায়ণপুরের বিধায়ক সমীরকুমার পাঁজার। একেবারে সোশ্যাল মিডিয়াতে আবেগপ্রবণ বার্তা দিয়ে সরে যাওয়ার কথা বলেছেন তিনি।
আর এহেন পোস্ট ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। শুধু তাই নয়, পোস্ট ঘিরে চরম অস্বস্তিতে শাসক তৃণমূলও। যদিও বিষয়টি দলকে ভেবে দেখার কথা বলেছেন রাজ্যের মন্ত্রীর অরূপ রায়।

ফেসবুকে ঠিক কি লিখেছেন বিধায়ক?
একেবারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পোস্ট করেছেন বিধায়ক। তিনি লিখছেন, '' হ্যাঁ আমার এই মহান নেত্রী টা আছে বলেই , আমি আজও তৃণমূল দল ছেড়ে যাইনি। কারণ কত ঝড় ঝাপটা পেরিয়ে, নানান ইতিহাস এর সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থেকে ৩৮ টা বছর মহান নেত্রীর সঙ্গে একজন সৈনিক হিসেবে কাজ করতে করতে, এখন বড়ই বেমানান লাগছে নিজেকে। কারণ আজ অবধি মিথ্যা নাটক করে দলীয় নেতৃত্বের কাছে ভালো সেজে, একটা মেকি লিডার হতে চাইনা আমি। নাহলে কবেই টা টা বাই বাই করে দল ছেড়ে চলে যেতাম আমি। আমার মতো অবিভক্ত যুব কংগ্রেসের আমল থেকে যারা আছে , তারা আদৌ কোনও গুরুত্ব পাচ্ছে কি বর্তমানে.....?? তাই আর কি, আমার যাবার সময় হল, দাও বিদায়! ''

মন্তব্য করতে রাজি হননি সমীরকুমার পাঁজা
এহেন পোস্টের নীচে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি পোস্ট করেছেন উদয়নারায়ণপুরের বিধায়ক। আর সেখানে স্পষ্ট লেখা, এই মানুষটাকে দেখেই দল করি। আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি তথাকথিত নতুন তৃণমূলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে কষ্ট হচ্ছে তাঁর? পুরানো কর্মীরা কি ব্রাত্য থেকে যাচ্ছেন কোথাও? অন্তত এহেন পোস্টের পর এমনটাই জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। যদিও এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি সমীরকুমার পাঁজা। বলে রাখা প্রয়োজন, এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, তাঁর নেত্রী মমতাই।

ব্যক্তিগতভাবে কথা বলবেন
তবে উদয়নারায়ণপুরের বিধায়কের পোস্ট নিয়ে একেবারে স্পিকটি নট তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে এই প্রসঙ্গে অরূপ রায় জানিয়েছেন, কোথাও একটা গ্যাপ রয়েছে নিশ্চয়। আর সেটা যাতে দ্রুত পূরণ হয়ে যায় তা আশা করব বলে জানিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী। এমনকি এই বিষয়ে শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। এমনকি সমীরের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যা মেটানোর কথাও জানান মন্ত্রী অরূপ রায়। তবে এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূল নেতাদের সবাইকে চোর বলে ডাকছে, আর সেখানে দাঁড়িয়ে মানসিক চাপ তৈরি হচ্ছে বলে দাবি সুকান্ত মজুমদারের। সরকার খুব তাড়াতাড়ি পড়ে যাবে বলেও কটাক্ষ তাঁর।












Click it and Unblock the Notifications