বেচারামের সঙ্গে সন্ধি নৈব নৈব চ! তৃণমূলে দুই বিধায়কের দ্বন্দ্বে সিঁদুরে মেঘ আকাশে
বেচারাম মান্নার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়। বেচারামের সন্ধিপ্রস্তাব উড়িয়ে ফের জল্পনা বাড়িয়ে দিলেন মাস্টারমশাই রবীন্র্েনাথ ভট্টাচার্য। তিনি স্পষ্ট করে দেন, ঝামেলা মিটছে না।
বেচারাম মান্নার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়। বেচারামের সন্ধিপ্রস্তাব উড়িয়ে ফের জল্পনা বাড়িয়ে দিলেন মাস্টারমশাই রবীন্র্েনাথ ভট্টাচার্য। তিনি স্পষ্ট করে দেন, ঝামেলা মিটছে না। বেচারামের সঙ্গে তাঁর পক্ষে এক মঞ্চে কাজ করা সম্ভব নয়। ফলে তৃণমূলের উত্থানের আঁতুড়ঘরে ফের ঘনিয়ে এল অন্ধকার।

শুক্রবার বেচারাম সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছিলেন, তিনি রবীন্দ্রনাথবাবুর সঙ্গে একজোট হয়েই লড়াই করবেন। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ফের জট পাকিয়ে গেল সেই সমাধান সূত্র। মাস্টারমশাই জানিয়ে দিলেন, বেচারাম মান্নার ওই কথা বিশ্বাস করতে পারছি না।
বেচারামের উদ্দেশ্যে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, তিনি যদি আমার সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই করতে উৎসাহী, তাহলে মহাদেব দাসকে ব্লক সভাপতি মেনে নিতে সমস্যা কোথায়? রবীন্দ্রনাথবাবু এ প্রসঙ্গে তাঁর অধিকারের সীমা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, আমি সিঙ্গরের বিধায়ক হয়ে সভাপতি নির্বাচন করতে পারব না, বেচারাম মান্না নাক গলিয়ে পছন্দমতো ব্লক সভাপতি নির্বাচন করে দেবেন!
সিঙ্গুরে তৃণমূলের এই অন্তর্কলহ চলছে। এর ফলে সিঙ্গুরবাসীও দু-ভাগ হয়ে গিয়েছেন। তাঁরা বুঝতে পারছেন না কোনদিকে যাবেন। এই অবস্থায় তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব যদি সুবন্দোবস্ত না নেন, তবে ভাঙুন অবশ্যম্ভাবী। শুধু সিঙ্গুর নয়, ওদিকে নন্দীগ্রামেও তৃণমূলে সংঘাত জারি। গোটা রাজ্যেই তৃণমূলের তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে দলেরই এক শ্রেণির।












Click it and Unblock the Notifications