'তৃণমূলে ফিরছি না, অমিত শাহ ডাকলে যাব', বিজেপিতে যোগদান নিয়ে ধোঁয়াশা বাড়ালেন মিহির গোস্বামীর
'তৃণমূলে ফিরছি না, অমিত শাহ ডাকলে যাব', বিজেপিতে যোগদান নিয়ে ধোঁয়াশা বাড়ালেন মিহির গোস্বামীর
তৃণমূলে ফিরছি না। অমিত শাহ ডাকলেই যাব। বাড়ি ফিরেই একের পর বিস্ফোরক মন্তব্যে শাসক দলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক মিহির গোস্বামী। তবে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কিনা তা নিয়ে ধোঁয়াশা রেখে দিলেন। গত কয়েক মাস ধরেই দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন তিনি। প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে একের পর এক আপত্তি জানিয়ে গিয়েছেন। কয়েকদিন আগে ফেসবুক পোস্টেও প্রশান্ত কিশোরের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি।এদিকে আবার শীলভদ্র দত্তও প্রশান্ত কিশোরের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছে। দিকে দিকে বিদ্রোহ বাড়ছে শাসক দলের অন্দরে।

মিহির কি বিজেপিতে
তৃণমূলে ফিরছি না। কিন্তু বিজেপিতে কি যাচ্ছি। এখানেই একটা বড় প্রশ্ন চিহ্ন রেখে গেলেন কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক মিহির গোস্বামী। ৯ দিন পর বাড়ি ফিরে তিনি বলেছেন তৃণমূলে আর ফিরছি না। তবে বিধায়ক হিসেবে কাজ করে যাব। এদিকে আবার বলেছেন অমিত শাহ ডাকলে যাব। বাস্তবে এখন তাঁর অবস্থাব কী হতে চলেছে তা নিয়ে একটা বড় ধোঁয়াশা তৈরি করে রাখলেন মিহির।

নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ
দুর্গাপুজোর পর তাঁর বাড়িতে এসেছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক। দুজনে একসময় এক দলেই ছিলেন। সেই সুবাদেই বিজয়া করতে আসা বলে দাবি করেছিলেন নিথীথ। যদিও মিহির গোস্বামীর বাড়িতে ঘণ্টাখানের রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছিল তাঁদের মধ্যে। সেখানে সাংবাদিকদের প্রবেশও নিষিদ্ধ ছিল। তারপর থেকেই নিশিথ প্রামাণিকের বৈঠকে যোগদান নিয়ে জল্পনা বাড়তে শুরু করে।

ফেসবুক পোস্টে বিতর্ক
কয়েকদিন আগেই নিজের ফেসবুকে প্রশান্ত কিশোরকে আক্রমণ করে পোস্ট করেছিলেন মিহির। সেখানে দলনেত্রীর উপর বিশ্বাস রক্ষা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। প্রশান্ত কিশোর এবং তাঁর সংস্থার বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছিলেন তিনি। মিহিরের সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই পোস্ট ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। তাতে তাঁর বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা আরও বাড়ে।

প্রশান্ত কিশোরের সমালোচনা
দিকে দিকে বিদ্রোহ। কোচবিহার থেকে সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম সর্বত্র শাসক দলের নেতাদের মধ্যে বিদ্রোহ মাথাচারা দিতে শুরু করেছে। প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করেছেন সিঙ্গুরের বিধায়ক মাস্টারমশাই। তার আগেই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে শুরু করেছিলেন মিহির গোস্বামী। তাঁর সুরে সুর মিলিয়েছিলেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত।












Click it and Unblock the Notifications