Manoranjan Byapari: গুলি খেয়ে যেতে পারি! মাটিতে পুঁতে দেবে বলেছে! তৃণমূলের বিরুদ্ধেই সরব বিধায়ক
Manoranjan Bapari: আদি-নব্য লড়াইয়ের মধ্যেই তৃণমূলের একাংশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ মনোরঞ্জন ব্যাপারির। আর এরপরেই প্রাণনাশের আশঙ্কা। যে কোনও মুহূর্তে গুলি খেয়ে যেতে পারি। চাঞ্চল্যকর মন্তব্য হুগলির বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়কের। আর এহেন মন্তব্য ঘিরে তীব্র অস্বস্তি শাসকদল তৃণমূলে। শুধু তাই নয়, যেখানে তৃণমূল বিধায়কই প্রাণনাশের আশঙ্কা করছেন সেখানে রাজ্যের অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা।
একাধিকবার বলাগড়ের নেতাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন মনোরঞ্জন ব্যাপারি (Manoranjan Byapari)। এদিন ফের একবার সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূলের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন।

তিনি (Manoranjan Byapari) লেখেন, প্রিয় বলাগড়বাসী আপামর জনগণ, আমি আপনাদের সেবক ভাই বন্ধু , আপনাদের জ্ঞাতার্থে অতি মনোদুঃখে জানাচ্ছি, বিগত কয়েক দিন ধরে যা চলছে আপনারা সবাই জ্ঞাত আছেন। আর কেন আমি বলাগড় বিধান সভা থেকে দূরে বসে আছি সেই কদাকার ঘটনাক্রম নিয়ে আগামী ৭ জানুয়ারি রাত আটটার সময় আমি ফেসবুক লাইভ করতে চলেছি।বলা চলে শেষ জবাব দিতে চলেছি।
সেদিন আমি কিছু নিজের কথা বলব আর কিছু আপনাদের মনের মধ্যে ঘুরপাক খাওয়া প্রশ্নেরও জবাব দেব। সাংবাদিক বন্ধুদেরও বলছি তৈরি থাকুন । তারপর ঘোষণা করবো আগামী দিনের কর্মসূচি। যাতে আমার বা তৃনমূল দলের লাভ হবে না ক্ষতি, সেটা আমি জানিনা।দুই তিন বছর অনেক অপমান অনেক সহ্য করেছি। আর নয়। লড়াই এবার এসপার ওসপার''
এছাড়াও নাম না করে কড়া ভাষায় শাদকদলের একাংশের বিরুদ্ধেও সরব হন বিধায়ক। যদিও পরে সংবাদমাধ্যমে সরাসরি তৃণমূলের যুবনেত্রী রুনা খাতুনের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। এমনকি ফুলন দেবী বলেও আক্রমণ শানান শাসকদলের এই বিধায়ক। রুণা খাতুনের নেতৃত্বেই এলাকায় একাধিক অবৈধ কাজ চলছিল। এই বিষয়ে সরব হয়েছেন এবং দাঁড়িয়ে থেকে সমস্ত অবৈধ কাজ বন্ধ করে দেন বলেও সংবাদমাধ্যমে দাবি করেন মনোরঞ্জন ব্যাপারি। আর তাতেই ক্ষোভ। শুধু তাই নয়, খুনের চক্রান্ত তৃণমূল নেত্রী রুনা খাতুন করছেন বলেও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। তাঁর কথায়, বলাগড়ের ফুলন দেবী শার্ট শুট্যার নিয়ে ঘোরে। মাটিতে পুঁতে দেবে বলে হুমকি দিয়েছে।
এই প্রসঙ্গে বিধায়কের আরও দাবি, কি ধরনের মানুষ আমি দিদি জানে। বর্তমানে বাঁশবেড়িয়ায় বাড়ি ভাড়া করে থাকি। কলকাতায় পরিবার থাকে। দুজন নিরাপত্তাকর্মীর মধ্যে একজন ছুটিতে চলে গিয়েছে। আরেকজনকে তুলে নেওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কাছে জানতে চাওয়া হলে উপরের নির্দেশের কথা জানানো হয়েছে বলে জানান মনোরঞ্জন ব্যাপারি।
ফলে পুরো বিষয়টিই চক্রান্ত বলে দাবি। আর এতে তিনি নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন বলে জানান। বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদের আশঙ্কা, যে কোনও মুহূর্তে গুলি চালিয়ে দিতে পারে। কে বাঁচাবে তখন? গার্ড ফিরিয়ে না দেওয়া হলে বলাগড়ে যাবেন না বলেও সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন তৃণমূলের এই বিধায়ক। যদিও বিধায়কের এহেন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রুনা খাতুন। এই বিষয়ে দলকে বিস্তারিত জানিয়েছেন বলেও জানান তিনি।












Click it and Unblock the Notifications