তৃণমূলের সাত পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ বিধায়ক, রোষানলে হুমায়ুন
রাজ্য-রাজনীতিতে ঘন ঘন দলবদলের বদনাম রয়েছে হুমায়ুন কবীরের। তিনি বার চারেক দলবদলের পর তৃণমূলে ফিরে বিধায়ক হয়েছেন। তারপর থেকেই তিনি দলের নেতাদের বিষনজরে দেখতে শুরু করেছেন।
রাজ্য-রাজনীতিতে ঘন ঘন দলবদলের বদনাম রয়েছে হুমায়ুন কবীরের। তিনি বার চারেক দলবদলের পর তৃণমূলে ফিরে বিধায়ক হয়েছেন। তারপর থেকেই তিনি দলের নেতাদের বিষনজরে দেখতে শুরু করেছেন। যে এলাকার বিধায়ক তিনি, সেখানকার নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তাঁর বনিবনা হচ্ছে না। সেই অস্বস্তির মধ্যে হুমায়ুন এবার দলের সাত পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে নালিশ জানালেন।

মুর্শিদাবাদের ভরতপুর কেন্দ্র থেকে এবার তৃণমূলের টিকিটে তিনি জয়যুক্ত হন। তাঁকে রেজিনগর থেকে তাঁকে এবার টিকিট দেওয়া হয়নি। তাঁকে টিকিট না দেওয়ার কারণ ওই এলাকায় হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে দলের একটা বড় অংশ। ভরতপুরে প্রার্থী হয়ে হুমায়ুন জিতে আসার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে চলে যেতে থাকে দলের নেতা-কর্মীরা।
দলের মধ্যে বিরাগভাজন হয়ে পড়ায় তাঁর সঙ্গে নেতাদের মতপার্থক্য তৈরি হতে শুরু করে। দলের নেতাদের সঙ্গে মানাতে না পারায় দলেরই সাতজন পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে তিনি কলকাতা হাইকোর্টে মানহানির মামলা করলেন। তবে এরই মধ্যে তিনি আবার বিজেপি ও কংগ্রেসে ভাঙন ধরিয়ে ২০০ নেতা-কর্মীকে তৃণমূলে যোগদান করান।
শনিবার সন্ধ্যায় ভরতপুরে কংগ্রেস ও বিজেপি থেকে নেতা-কর্মীদের ভাঙিয়ে এনে প্রায় ২০০ জনকে তৃণমূলে যোগদান করানো হয়। তৃণমূলের এই যোগদান মঞ্চে থেকে তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তৃণমূলের সাত জন পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, এই পঞ্চায়েত প্রধানরা তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি করার। তার জন্য উন্নয়ন থমকে যাচ্ছে বলে অভিযোগ।
হুমায়ুন বলেন, আমার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর আমি মাত্র দুটো উন্নয়ন বৈঠক করেছি। ফলে কাজে হস্তক্ষেপের কোনও প্রশ্নই নেই। ইচ্ছাকৃতভাবে প্রধানরা তাঁর সম্মানহানি করেছেন বলে পাল্টা অভিযোগ করেন হুমায়ুন কবীর। এরপর তিনি সাত প্রধানের বিরু্দ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে মানহানির মামলা করেন। তিনি বলেন, ১৫ দিনের মধ্যে যদি কোনও নোটিসের জবাব না আসে তবে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করবেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২০২১ নির্বাচনের আগে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন হুমায়ুন। এর আগে তিনি চার চার বার দলবদল করেন। কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে এসে তিনি মন্ত্রী হয়েছিলেন। কিন্তু তারপর উপনির্বাচনে কংগ্রেসের কাছে হেরে তাঁর মন্ত্রিত্ব যায়। তারপর তিনি ফের কংগ্রেসে ফিরে যান। কিন্তু কংগ্রেস তাঁরা বেশিদিন মন টেকেনি। ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের আগে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। আর ২০২১-এর আগে তিনি যোগ দেন তৃণমূলে। এরপর শিকে ছেঁড়ে। তিনি তৃণমূলের টিকিটে বিধায়ক নির্বাচিত হন.
-
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
ভোটের আগে তালিকা সংশোধনে তৎপরতা, সপ্তম অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ -
কালিয়াচক কাণ্ডের পর ফের অশান্তি! অমিত শাহ-র রোড শো ঘিরে ভবানীপুরে ধুন্ধুমার, হাতাহাতি তৃণমূল-বিজেপির -
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন












Click it and Unblock the Notifications