আচমকাই পদ খোলালেন তৃণমূল বিধায়ক, নিয়োগ দুর্নীতির মাঝে কেন এমন সিদ্ধান্ত রাজ্যের

আচমকাই পদ খোলালেন তৃণমূল বিধায়ক, নিয়োগ দুর্নীতির মাঝে কেন এমন সিদ্ধান্ত রাজ্যের

আচমকাই পদ খোলালেন তৃণমূলের বিধায়ক বিমলেন্দু সিংহ রায়। নদিয়ার করিমপুরের বিধায়ক বিমলেন্দু সিংহরায় জেলা প্রাথমিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান পদে ছিলেন। শুক্রবার হঠাৎই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সেই পদ থেকে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে নদিয়ার জেলাশাসককে। কেন এমন সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারে, তা জানেন না বিধায়ক।

আচমকাই পদ খোলালেন তৃণমূল বিধায়ক, নিয়োগ দুর্নীতির মাঝে কেন এমন সিদ্ধান্ত রাজ্যের

করিমপুরের তৃণমূল বিধায়ক বিমলেন্দু সিংহরায় জেলা প্রাথমিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন এক বছর আগে। এক বছর কাটতে না কাটতেই তাঁকে কেন নদিয়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই মর্মে এক নির্দেশিকা জেলাশাসকের কাছে পাছানো হয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতরের যুগ্ম সচিবের তরফে।

সেই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জেলা প্রাথমিক পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বভার সামলাবেন নদিয়ার জেলাশাসক শশাঙ্ক শেঠি। এখন প্রশ্ন, এই পদ থেকে কেন সরিয়ে দেওয়া হল তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক বিমলেন্দু সিংহরায়কে। তবে কি তাঁর অপসারণের নেপথ্যেও দুর্নীতি? সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় পদ পাইয়ে দেওয়ার নামে ১০ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ করেছিলেন দলেরই এক কর্মী। সেই মামলা এখন কলকাতার উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। বিগত কয়েক মাসে স্কুলশিক্ষা দফতরে বদলির নামে ঘুষ নেওয়ার একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে, তা নিয়ে যথেষ্টই অস্বস্তিতে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে করিমপুরের বিধায়ক বিমলেন্দু সিংহরায়ের অপসারণের পিছনে যে দুর্নীতিই প্রধান ইস্যু সেই অভিযোগ তুলে ধরেছেন প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান জ্যোতিপ্রাকশ ঘোষ। তিনি বলেন, আমার সময় টেট হল, নিয়োগ হল, কোনও অভিযোগই নেই। আর একটা সাপ্লিমেন্টারি অভিযোগ নিয়ে কেন এত অভিযোগ। তিনি বলেন স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সিসিটিভি থেকে শুরু করে একটা বৃহৎ আইহোল রাখা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও কীভাবে কারচুপি হল?

সম্প্রতি নিয়োগ দুর্নীতিতে রাজ্যের সরকার প্রবল চাপে। শুধু এসএসসি নয়, উচ্চ প্রাথমিক থেকে শুরু করে প্রাথমিকে নিয়োগেও বিরাট দুর্নীতি সামনে এসেছে। তার তদন্ত চলছে সিবিআই ও ইডির দ্বারা। বহু রথী-মহারথী গ্রেফতার হয়েছেন। সেই তালিকায় রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীরা তো আছেনই। পর্ষদ সভাপতি থেকে শুরু এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান, নিয়োগ কমিটির প্রধানরাও রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে করিমপুরের তৃণমূল বিধায়কের অপসারণ ফরে জল্পনা উসকে দিয়েছে দুর্নীতির। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, এর পিছনেও রয়েছে দুর্নীতি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+