ফের ট্র্যাকে শুভেন্দু, তৃণমূল ও নেত্রী মমতার নাম করে স্মৃতি চারণায় পরিবহণ মন্ত্রী
ফের ট্র্যাকে শুভেন্দু, তৃণমূল ও নেত্রী মমতার নাম করে স্মৃতি চারণায় পরিবহণ মন্ত্রী
গত একমাসের সব জল্পনায় অবশেষে যবনিকা পতন ঘটালেন শুভেন্দু অধিকারী। ঘাটালের বিজয়া সম্মেলনীর অনুষ্ঠান দল ও দলনেত্রী নিয়ে স্মৃতি চারণায় ডুবে গেলেন তিনি। তাহলে কী ফের ট্র্যাকে ফিরলেন তিনি। টিম পিকে না দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে রয়েছেন শুভেন্দুর সুর বদলের নেপথ্যে। গত এক মাসে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে দলের বেশ অস্বস্তি বাড়িয়েছিলেন অধিকারী গড়ের রাজপুত্র।

দল ও দলনেত্রীর নাম শুভেন্দুর কণ্ঠে
হঠাৎ করে সুর বদল। ঘাটালের বিজয়া সম্মেলনী অনুষ্ঠানে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে নিয়ে স্মৃতি চারনায় ডুব দিলেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, ২০০৮-০৯-এ আমাদের দলের প্রার্থীদের মেরে হাত পা ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। তখন আমার দল আমায় দায়িত্ব দিয়েছিল। ২০১১ সালে যখন আমাদের দলনেত্রী যুদ্ধে নেমেছিলেন তখনও ঘাটালের দায়িত্ব দিয়ে আমায় পাঠানো হয়েছিল। সেই রাজনৈতিক ইতিহাস ভুলিনি।

শুভেন্দু বার্তায় কিসের ইঙ্গিত
দল আর নেত্রীর প্রতি তিনি যে এখনও অনুগত রয়েছেন সেই বার্তাই কী দিতে চেয়েছেন শুভেন্দু। ঘাটালের এই মন্তব্যের পর জল্পনা বেড়েছে রাজনৈতিক মহলে। তাহলে কী শুভেন্দু সংকট মিটিয়ে ফললেন মমতা। নাকি টিম পিকে ক্যারিশ্মাতেই সুর বদল শুভেন্দু। জল্পনার পারদ নতুন মাত্রা পেয়েছে। বিমল গুরুংয়ে তৃণমূলের কাছে আত্মসমর্পণ করানোর নেপথ্যে কিন্তু কাজ করেছে টিম পিকে।

নন্দীগ্রামে দ্বন্দ্ব
দুদিন আগেই নন্দীগ্রামে তৃণমূলের ব্যানার ছাড়াই সভা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে একটি বারের জন্যও দলনেত্রীর নাম করেননি তিনি। উল্টে বলেছিলেন নন্দীগ্রাম আন্দোলন কারোর একার নয়। তার পাল্টা সভা করে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে নাম না করেই শুভেন্দুকে সতর্ক করা হয়। যাঁরা দলনেত্রীর বিরোধিতা করছেন তাঁরা বিজেপির হাত শক্ত করছেন বলে শুভেন্দুকে বিঁধেছিলেন ফিরহাদ হাকিম। শুভেন্দুর রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করা উচিত বলে মন্তব্য করেছিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

দাদার অনুগামীর ব্যানারে সভা
গত এক মাস ধরে রাজ্যের একাধিক জেলায় দাদার অনুগামীর পোস্টার ব্যানার পড়েছে। তাতে কোথাও তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও প্রতীক ছিল না। সর্বত্র কেবল শুভেন্দুর ছবি ছিল। রাজ্য জুড়ে একাধিক বিজয়া সম্মিলনি করেছেন তিনি। সবকটিতেই কোনও দলীয় প্রতীক ছিল না। একাধিক সভায় একাধিক মন্তব্য করেছেন দলের বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। তারপরেই তাঁর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা মাথা চারা দেয় রাজনৈতিক মহলে।












Click it and Unblock the Notifications