আমেরিকায় বাঙালি মন্ত্রী হতে পারেন, মোদী-মন্ত্রিসভায় নয়! মাস্টারস্ট্রোক তৃণমূলের
আমেরিকায় বাঙালি মন্ত্রী হতে পারেন, মোদী-মন্ত্রিসভায় নয়! মাস্টারস্ট্রোক তৃণমূলের
হোটাইট হাউসে বাঙালি মন্ত্রী হতে পারেন, কিন্তু দিল্লির মন্ত্রিসভায় তাঁদের কোনও স্থান নেই! মোদীর মন্ত্রিসভায় কোনও বাঙালি পূর্ণমন্ত্রী নেই। এটা বাংলা ও বাঙালি বিদ্বেষের নামান্তর মাত্র। বিজেপিকে একহাত নিয়ে ব্রাত্য বসু বলেন, আমেরিকার মন্ত্রিসভায় বাঙালির জায়গা হয়, কিন্তু দিল্লিতে হয় না।

মোদী সরকার ও বিজেপি বাঙালি-বিদ্বেষী
ব্রাত্য বসু বলেন, মোদী সরকার ও বিজেপি বাঙালিকে পদদলিত করে রাখতে চায়। বাংলাকে কে পরিচলনা করবে, তা ঠিক করতে উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে বহিরাগতদের আনা হচ্ছে। ২০১৯-এ বিজেপিকে বাংলা বিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার মন্ত্রী ব্রাত্য বসু একুশের আগে সেই একই সুর বেঁধে দিলেন।

তৃণমূলের প্রধান হাতিয়ার বিজেপির বাঙালি-বিদ্বেষ
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রধান হাতিয়ার হবে বিজেপি বাংলা ও বাঙালি বিদ্বেষী। ব্রাত্য বসু এদিন সাংবাদিক বৈঠকে সেই খোঁচা দিতে আমেরিকার মন্ত্রিসভায় বাঙালি মন্ত্রীর উদাহারণ তুলে ধরেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার কথা বলে থাকেন। সেটাই দেখাল আমেরিকা। কিন্তু বাঙালি ব্রাত্য দিল্লির দরবারে।

বিজেপি বাংলার একজন সাংসদকেও পূর্ণ মন্ত্রিত্ব দেয়নি
ব্রাত্য বসু বলেন, গত সাত বছরে বিজেপি বাংলার একজন সাংসদকেও পূর্ণ মন্ত্রিত্ব দেয়নি। হাফপ্যান্ট-মন্ত্রী করে রেখে দিয়েছে বলে তিনি নাম না করেই বাবুল সুপ্রিয়দের খোঁচা দেন। বহিরাগতদের দিয়ে বাংলাকে পরিচালনার ষড়যন্ত্র চলছে। অন্য রাজ্যের অবাঙালি মুখকে সামনে তুলে ধরার চেষ্টা হচ্ছে।

বাঙালি বিদ্বেষ ব্রিটিশ আমল থেকে প্রবহমান
তিনি বলেন, যাঁরা বাঙালি সংস্কৃতি জানেন না, তাঁদের হাতে বাঙালি জাতিকে নিয়ন্ত্রিত হতে হবে, এমন দুর্দশা এখনও আসেনি। বাঙালি বিদ্বেষ সেই ব্রিটিশ আমল থেকে প্রবহমান। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম প্রথম থেকে বাঙালিরা লড়েছে। সুভাষচন্দ্র বসু যেভাবে রাজনীতির শিকার হয়েছিলেন, একইভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোণঠাসা করার চেষ্টা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications