অভিষেকের সভার আগেই কেশপুরে গোষ্ঠী কোন্দল বড় চ্যালেঞ্জ! পরিস্থিতি সামলাতে ময়দানে মানস ভুঁইয়া
সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন! আর সেই নির্বাচনকে ঘিরে ক্রমশ চড়ছে উত্তেজনার পারদ। কিন্তু সেই নির্বাচনের আগে তৃণমূলের মাথাব্যাথার কারণ হয়ে উঠছে গোষ্ঠী কোন্দল।
সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন! আর সেই নির্বাচনকে ঘিরে ক্রমশ চড়ছে উত্তেজনার পারদ। কিন্তু সেই নির্বাচনের আগে তৃণমূলের মাথাব্যাথার কারণ হয়ে উঠছে গোষ্ঠী কোন্দল। আর এই কোন্দলের কারণে বিভিন্ন সময়ে অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে শীর্ষ নেতৃত্বকেও। এই অবস্থায় আগামী চার ফেব্রুয়ারি পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে সভা করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
পঞ্চায়েত নির্বাচনকে মাথায় রেখেই হবে অভিষেকের এই সভা। আর তার আগে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের গোষ্ঠী কোন্দল নিয়ে সতর্ক করলেন মানস ভুঁইয়া। শুধু তাই নয়, দ্রুত আভ্যন্তরীণ সমস্যা মেটাতেও নির্দেশ দিলেন.

অভিষেকের সভার আগে কেশপুরে গোষ্ঠী কোন্দল বড় চ্যালেঞ্জ
পঞ্চায়েতকে সামনে রেখে তৃণমূলের 'দিদির দূত' কর্মসূচি চলছে বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকাতে। দিদির দূত হয়ে তৃণমূলের সাংসদ-বিধায়করা মানুষের কাছে যাচ্ছেন। কিন্তু সেখানে বারবার ক্ষোভ-বিক্ষোভের মধ্যে পড়তে হচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্বকে। তৃণমূল নেতাদের নামে ক্ষোভের কথা শুনতে হচ্ছে ঠিকই, অনেক ক্ষেত্রে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের মুখেও পড়ছেন দিদির দূতেরা। আর এর মধ্যেই অভিষেকের সভার আগে কেশপুরে গোষ্ঠী কোন্দল থামানোটাই বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে।

কোনও ধরণের ঝগড়া বরদাস্ত নয়
সম্প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার প্রস্তুতি নিয়ে একটি বৈঠকে অংশ নেন মানস ভুঁইয়া। আর সেখান থেকেই গোষ্ঠী কোন্দল ইস্যুতে নেতা-কর্মীদের উদেশ্যে কড়া বার্তা তাঁর। শুধু তাই নয়, কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিচ্ছেন রাজ্যের মন্ত্রী। এটা দুর্ভাগ্যের, কিন্তু বড় পরিবারে এমন হয়ে থাকে বলে অবশ্য কিছুটা ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা তাঁর। তবে রাজ্যের মন্ত্রী কেশপুর তাঁদের অন্যতম শক্তিশালী ঘাঁটি। ফলে সেখানে কোনও ভাবেই কোনও ধরণের ঝগড়া বরদাস্ত নয় বলেও বার্তা তাঁর। মানস ভুঁইয়ার কথায়, আমাদের লড়াই মানুষের জন্যে, নিজের মধ্যে নয়। শুধু তাই নয়, বিজেপি এবং সিপিএমের বিরুদ্ধেও লড়াইয়ের ডাক মানস ভুঁইয়ার।

মেগা র্যালি করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
পঞ্চায়েতের আগে কেশপুরে মেগা র্যালি করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানকার আনন্দপুর স্কুলের মাঠে ফেব্রুয়ারির চার তারিখ এই সভা হওয়ার কথা রয়েছে। কেশপুর একটা সময়ে বামেদের শক্তঘাটি ছিল। যদিও কালের নিয়মে যদিও সেই জায়গাতে তৃণমূল তাঁদের পায়ের তলার মাটি শক্ত করেছে। এই অবস্থায় পঞ্চায়েতের আগে সেখানে অভিষেকের সভা রাজনৈতিক ভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

দল থেকে বার করে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি
যদিও এই সভার আগে আনন্দপুর এবং কেশপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল ব্যাপক মাথা চাড়া দিয়েছে। গত দুমাসে একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। যা মোটেই ভালো চোখে নিচ্ছে না দল। এই অবস্থায় সম্প্রতি স্থানীয় নেতৃত্বদের নিয়ে বৈঠকে বসেন মানস ভুঁইয়া এবং শিউলি সাহা। আর সেই বৈঠক থেকে কোন্দল নিয়ে কড়া বার্তা দেন তাঁরা। প্রয়োজনে দল থেকে বার করে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে।












Click it and Unblock the Notifications