সম্মান দেওয়া হোক শুভেন্দুকে, দরবার করবেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতারা

কিছুদিন আগে শুভেন্দু অধিকারীকে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর জেরে পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হয়। শুভেন্দুবাবুর অনুগামীরা তাঁকে বিদ্রোহ করার পরামর্শ দেন। যদিও এখনও ধৈর্য ধরে রয়েছেন তিনি।
গতকাল নন্দীগ্রামের টেঙ্গুয়ায় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শেখ সুফিয়ান, আবু তাহের, ফিরোজা বিবি প্রমুখ একটি বৈঠক করেন। ঠিক হয়, দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির সঙ্গে গিয়ে কথা বলা হবে। তাঁরা বলবেন, শুভেন্দু অধিকারীর এই 'অপমান' সহ্য করা যাচ্ছে না। অবিলম্বে শুভেন্দুবাবুকে দলে যথাযোগ্য মর্যাদা দিতে হবে। নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক ফিরোজা বিবি বলেন, "দলে শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকা অপরিসীম। আমরা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা করি। কিন্তু নন্দীগ্রামের মানুষের আবেগকে বুঝতে হবে। তাই শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে আমরা সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আর্জি জানাব।"
প্রসঙ্গত, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি অখিল গিরি বলেছিলেন, "শুভেন্দু অধিকারীর কোনও জনপ্রিয়তাই নেই।" এর জেরে জেলার বাকি নেতারা বেজায় চটেছেন। দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক তথা জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সোমনাথ বেরা অখিলবাবুর নাম না করে বলেছেন, "কে কত জনপ্রিয়, সেটা ১৫ জুন বোঝা যাবে। ওই দিন আমরা শুভেন্দু অধিকারীকে নিমতৌড়িতে গণ সংবর্ধনা দেব। এক লক্ষ লোক তো হবেই। বেশিও হতে পারে।"
লক্ষণীয়, ২০০৯ সালের লোকসভা ভোটের পর কিন্তু শুভেন্দুবাবুকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়নি। এ বার দেওয়া হচ্ছে। তাও আবার এমন একটা সময়, যখন দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক শীতল হয়ে গিয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, শীর্ষ নেতৃত্বকে বার্তা দিতেই শুভেন্দুবাবুর অনুগামীরা এই পথে হাঁটছেন।












Click it and Unblock the Notifications