ঐতিহাসিক নন্দীগ্রাম দিবসে কুণালের সামনেই হাতাহাতিতে জড়ালেন নেতাকর্মীরা! অস্বস্তিতে তৃণমূল
ঐতিহাসিক নন্দীগ্রাম দিবসে কুণালের সামনেই হাতাহাতিতে জড়ালেন নেতাকর্মীরা! অস্বস্তিতে তৃণমূল
আজ ঐতিহাসিক নন্দীগ্রাম দিবস! আর এই দিবসকে সামনে রেখে গত কয়েকবছর ধরে জোর টক্কর চলে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে। বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপিতে যোগদানের পর থেকেই কেউ কাউকে একচুলও জমি ছাড়তে নারাজ। কার্যত আজ বৃহস্পতিবারও নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষ্যে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে শাসক তৃণমূল এবং বিজেপির। আর তা নিয়েই সকাল থেকে ক্রমশ চড়ছে উত্তেজনার পারদ।

হাতাহাতিতে জড়ালেন তৃণমূল কর্মীরা
আর এর মধ্যেই হাতাহাতিতে জড়ালেন তৃণমূল কর্মীরা। কুণাল ঘোষের সামনেই বচসায় জড়ালেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা। শহিদ মঞ্চে কোন নেতা থাকবে তা নিয়ে বচসার সূত্রপাত বলে জানা যাচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, কুণাল ঘোষ অনুষ্ঠানে হাজিরা দেওয়ার আগে থেকেই ক্রমশ চড়ছিল উত্তেজনার পারদ। কিন্ত্য তিনি আসতেই বেশ কয়েকজন শহিদ মঞ্চে উঠে যান। আর এরপরেই উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়ে। কেন মঞ্চে সেখ সুফিয়ান আর কেন জায়গা দেওয়া হল না তৃণমূল জেলা চেয়ারম্যান পীযুষ ভুঁইয়াকে তা নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বেশ কয়েকজন কর্মী। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে ওই ইয়ত্তেজনা। প্রকাশ্যে এই ঘটনায় রীতিমত অস্বস্তিতে পড়ে যান কুণাল ঘোষও। যদিও শেষমেশ মুখ খোলেন তিনি। একেবারে কড়া ভাষায় আন্দোলনকারীদের বার্তা দেন কুণাল। কেন গন্ডগল করা হচ্ছে তা নিয়ে আন্দোলনকারীদের বার্তা দেন অভিষেক অনুগামী।

শহিদ বেদীর সামনে উত্তেজনা ছিল
আর এই কড়া বার্তা পাওয়ার পরেই শান্ত হয় পরিস্থিতি। বলে রাখা প্রয়োজন, সকাল থেকে শহিদ বেদীর সামনে উত্তেজনা ছিল। বিজেপি এবং তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে একটা উত্তেজনা পরিবেশ তৈরি হয়। এমনকি মাঝে মধ্যে একে-অপরের দিকে ধেয়ে যান দুই দলের নেতা-কর্মীরা। যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্যে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়। জানা গিয়েছে, বিকেল তিনটের সময় ওই জায়গাতেই অনুষ্ঠান করবেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্ত্য এর আগে শুভেন্দুর পদযাত্রা রয়েছে তেখালি ব্রিজ থেকে করপল্লি পর্যন্ত। আর এর আগেই উত্তেজনা।

‘অপারেশান সূর্যোদয়’
বলে রাখা প্রয়োজন, ২০০৭ সালের ১০ নভেম্বরের ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির মিছিল ছিল। আর সেই সময় সিপিএমের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ সামনে আসে। অভিযোগ ছিল নন্দীগ্রাম পুনর্দখলের জন্য 'অপারেশান সূর্যোদয়' করেছিল সিপিএমের হার্মাদরা। ঘটনায় বেশ কয়েকজন নিখোঁজ এখনও। এরপর থেকেই তৃণমূল বিজেপি এই দিনটাকে শহিদ দিবস হিসাবেও পালন করে থাকে। বলে রাখা প্রয়োজন, ঘটনার সময় তৃণমূলে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বড় দায়িত্ব সামলেছিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications