জাতির উদ্দেশ্যে মোদীর ভাষণ, পরিকল্পনা-দূরদৃষ্টি অভাব বলছেন তাপস-সৌগতরা

দেশের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় শেষ বিকল্প হিসেবে যেন লকডাউনকে বেছে নেওয়া হয় জাতির উদ্দেশে ভাষণে রাজ্যগুলিকে এমনই বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্য লকডাউনের পথে

দেশের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় শেষ বিকল্প হিসেবে যেন লকডাউনকে বেছে নেওয়া হয় জাতির উদ্দেশে ভাষণে রাজ্যগুলিকে এমনই বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্য লকডাউনের পথে হেঁটে ফেলেছে।

তারপরে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা গুরুত্বহীন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বিরোধীরা এই নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছেন।

মোদীর লকডাউন বার্তা

মোদীর লকডাউন বার্তা

লকডাউন পরিস্থিতি যতদূর সম্ভব এড়িয়ে যাওয়ার বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেছেন করোনা মোকাবিলার শেষ অস্ত্র হওয়া উচিত লকডাউন। রাজ্যসরকারগুলিকে সেই বার্তাই দিয়েছেন তিনি। কারণ লকডাউনে বহু মানুষের রুজি রোজগারে প্রভাব ফেলে। দেশের আর্থিক পরিস্থিতি লকডাউনে একেবারে ধসে পড়েছিল। সেকথা আঁচ করেই লকডাউনকে শেষ বিকল্প পথ হিসেবে বেছে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন মোদী।

প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হবেন না

প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হবেন না

দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আজ বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, "খুব প্রয়োজন না হলে, কেউ ঘর থেকে বেরোবেন না। এই মুহূর্তে দেশকে লকডাউনের থেকে বাঁচাতে হবে। লকডাউন এড়াতে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। করোনা মোকাবিলায় লকডাউন সর্বশেষ অস্ত্র।" এই বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। ছোট ছোট গোষ্ঠী, কমিটি করে মানুষকে যাতে করোনার সচেতনতা বাড়ানো যায় তাহলে অনেক উপকৃত হবে বলে দাবি মোদীর। তবে তাঁর এই মন্তব্যকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ।

করোনার বাড়াবাড়ির জন্যে দায়ী কেন্দ্র

করোনার বাড়াবাড়ির জন্যে দায়ী কেন্দ্র

গোটা দেশজুড়ী ভয়াবহ অবস্থা করোনার সংক্ক্রমণ। প্রত্যেক রাজ্যে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ। বাদ নেই বাংলাতেও। বাড়ছে সংক্রমণও। এই বিষয়ে তাপস রায় বলেন, ভাগ্যিস এবার প্রধানমন্ত্রী থালা বাটি বাজাতে বলেননি। তবে তাঁর মন্তব্যে কোনও দিশা নেই। কটাক্ষ তৃণমূল বিধায়কের। গত একবছর সময় পাওয়া গিয়েছে। কোনও হাসপাতাল ঘুরে দেখেননি তিনি। পরিকাঠামো তৈরি কিরা হয়নি। আর এর ফলে যা হওয়ার তাই হচ্ছে বলে দাবি তাঁর। তাপসবাবু বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর কোনও পরিকল্পনা নেই ও দূরদৃষ্টি নেই'। কার্যত একই সুর শোনা গিয়েছে দলের বর্ষয়ান সাংসদ সৌগত রায়ের মুখেও। সৌগত রায় বলেন, "তৃণমূল কংগ্রেস অনেকবার ২৬ তারিখের মধ্যে ভোট মিটিয়ে নেওয়ার কথা বলেছে। সেই কথা নির্বাচন কমিশন শুনছে না। করোনা পরিস্থিতি এতটা খারাপ হওয়ার পিছনে কেন্দ্রই দায়ী।" তোপ সাংসদের। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী বাংলায় আসছেন। বড়সড় সভা করছেন। সেখানেই তো কত সংক্রমণ বাড়ছে। কেন তিনি এত সভা করছেন? প্রশ্ন সৌগতবাবুর।

মানুষ আগে, রাজনীতি নয়!

মানুষ আগে, রাজনীতি নয়!

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী সুজন চক্রবর্তী বলেন, "আমরাই প্রথমে বলেছি নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনে সব মিছিল, মিটিং বন্ধ করে দিক। মানুষ আগে, জীবন আগে। আগে ভোট ও রাজনীতি না। মানুষের বিপদের দায় যারা সরকার পরিচালনা করছে তাঁদের।" উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী দরকার ছাড়া সাধারণ মানুষকে বাইরে না বের হওয়ার জন্যে বলছেন। কিন্তু ভোটমুখী বাংলায় একের পর এক সভা চলছে। বামেরা বড় সমাবেশ বন্ধ করলেও তৃণমূল কিংবা বিজেপি এখনও সমাবেশ বন্ধ করেনি। যদিও তৃণমূলের তরফে সমস্ত সভার সময় কমানো হয়েছে। কলকাতায় বড় কোনও সভা না করার সিদ্ধান্ত। কিন্তু বিজেপির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+