রাঢ়বঙ্গের ‘দ্বিতীয় মিরজাফর’ মুকুল! বিজেপিকে খোঁচায় দলীয় কর্মীদের পরামর্শ মানসের
নবাবী আমলে রাঢ়বাংলার বুকে একজন মিরজাফর ছিলেন। এখন আবার দ্বিতীয় মিরজাফরের উদয় হয়েছে বাংলায়। আর তিনি হলেন মুকুল রায়।
নবাবী আমলে রাঢ়বাংলার বুকে একজন মিরজাফর ছিলেন। এখন আবার দ্বিতীয় মিরজাফরের উদয় হয়েছে বাংলায়। আর তিনি হলেন মুকুল রায়। বাঁকুড়ায় দলীয় সভা থেকে মুকুল রায়কে মিরদাফর আখ্যায় তীব্র আক্রমণ করলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মানস ভুঁইয়া। তিনি বলেন, মিরজাফরের ঠাঁই নেই বাংলায়। বাংলা থেকে মিরজাফরদের দূর করতে অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে দলীয় কর্মীদের।

এদিন দলীয় কর্মীদের ভূমিকাও স্পষ্ট করে দেন প্রবীণ এই তৃণমূল নেতা। তিনি বলেন, বাঁকুড়ার প্রতিটি অঞ্চলের প্রতিটি বুথে আগামী একমাস ধরে সভা-সমাবেশ চালাতে হবে। শুধু শহর এলাকায় সভা করলে হবে না। দলীয় কর্মীদের গ্রামে যেতে হবে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ বাড়াতে হবে। বাঁকুড়ার তমালিবাঁধের এই সভা থেকে মানস ভুঁইয়া বলেন, কর্মীরাই দলের সম্পদ, তাঁরা অগ্রণী ভূমিকা না নিলে মিরজাফরদের দূর করা যাবে না।
এদিন মানস ভুঁইয়া ছাড়াও এই সভা থেকে মুকুল রায়কে তীব্র কটাক্ষ করেন মদন মিত্র। মানস ও মদন উভয়েই মুকুলকে টার্গেট করায় এই সভাকে তৃণমূলের পাল্টা সভা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। যদিও তৃণমূলের দাবি এটি ২১ জুলাই সমাবেশের প্রস্তুতি সভা। যেহেতু মুকুল রায় দুদিন আগেই সভা করে তৃণমূলকে আক্রমণ করেছিলেন, সেহেতু তাঁর বিরুদ্ধে এদিনের সভা থেকে তোপ দাগা হয়।
উল্লেখ্য, মুকুল রায় পুলিশের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেছিলেন, অমিত শাহ বাংলায় আসছেন বলেই তাঁকে সন্তুষ্ট করতে পুরুলিয়া ত্রিলোচন মাহাতো রহস্য-মৃত্যুর ঘটনা পাঞ্জাবি মাহাতো নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই গ্রেফতার নিছকই লোক দেখানো।












Click it and Unblock the Notifications