বিজেপির পাশাপাশি দল ভাঙাচ্ছে মিম, উত্তরবঙ্গে সংখ্যালঘুদের সমর্থন হারিয়ে শঙ্কায় তৃণমূল!
এআইএমআইএমে যোগ দিলেন বহরমপুর লোকসভার তৃণমূল যুবর সভাপতি শামিম আলি। শুক্রবার লালবাগ শহরে তৃণমূল যুবর সভাপতি একশোজন অনুগামীকে সঙ্গে নিয়ে মিমের পতাকা তুলে নেন। শামিম আলি শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত ছিলেন। শুভেন্দুর পদক্ষেপ নিয়ে দোলাচালে পড়েই এই দলবদলের সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত শামিম
প্রসঙ্গত শামিম-সহ এই কর্মীরা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। দলত্যাগীদের অভিযোগ শুভেন্দু মন্ত্রিত্ব ছাড়লেও এখনও তাঁকে নিয়ে অনেক জল্পনা রয়েছে। সমাধান কবে হবে তা জানা নেই। সেই অনিশ্চয়তার কারণেই তাঁরা মিম-এ নাম লেখালেন। এ প্রসঙ্গে মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম কোঅডিনেটর বলেন, মুর্শিদাবাদ জেলায় বিজেপি-র বি টিম হিসেবে কাজ করছে মিম।

উত্তরবঙ্গে সংখ্যালঘুদের হুঁশিয়ারি তৃণমূলকে
এদিকে এবার উত্তরবঙ্গে সংখ্যালঘুদের একটা বড় অংশ নিজেদের দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে মিমে যোগ দিতে পারে। আর তা হলে আসন্ন নির্বাচনে ক্ষতিগ্রস্ত হবে রাজ্যের শাসক দলই। আজ শিলিগুড়িতে ডুয়ার্স মিল্লাতে ইসলামিয়া সোসাইটির নেতারা জানান, উত্তরবঙ্গে সংখ্যালঘুরা বঞ্চিত।

বঞ্চনার অবসান হয়নি
বারবার রাজ্যের শাসক দলের নেতাদের জানিয়েও বঞ্চনার অবসান হয়নি। সংগঠনের তরফে সভাপতি কাদের আলি, সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ মিজানুর রহমানেরা বলেন, নতুন করে অনুমোদিত মাদ্রাসার সংখ্যা অত্যন্ত কম। এছাড়া ভাতা হিসেবে যে অর্থ দেওয়া হচ্ছে তাও যথেষ্ট নয়।

ইমাম ভাতা, মোয়াজ্জেম ভাতা বাড়ানোর দাবি
এই পরিস্থিতিতে ইমাম ভাতা, মোয়াজ্জেম ভাতা বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছি আমরা। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গে সংখ্যালঘু উন্নয়ন বোর্ড গঠন করতে হবে। এ বিষয়ে আগেও রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তীর সঙ্গেও আলোচনা করেছিলেন ইসলামিয়া সোসাইটির নেতারা।

মুখ্যমন্ত্রী কথা দিয়েও রাখেননি
এই বিষয়ে সভাপতি কাদের আলি বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী আগে এ নিয়ে আমাদের কথা দিয়েছিলেন। কিন্তু তা পূরণ করা হয়নি। আমরা তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে থাকলেও গত জুলাই মাস থেকেই সরকারের সঙ্গে আমাদের দূরত্ব বেড়েছে।' প্রসঙ্গত, এই অভিযোগ জানিয়েই ওয়েইসি বাংলার রাজনৈতিক আঙিনায় নিজের নাম লিখিয়েছিলেন।

সাতদিনের আল্টিমেটাম
তাঁর আরও হুঁশিয়ারি, আগামী সাত দিনের মধ্যে আমাদের দাবিপূরণ না হলে আমরা মিমে যোগদান করব। পাশাপাশি, উত্তরবঙ্গের ৫৪টি আসনের মধ্যে অন্তত ৩০ থেকে ৪০টি আসনে লড়াই করার কথাও বলেন তিনি। এই আসনগুলিতে সংখ্যালঘুদের ভোট খুব উল্লেখযোগ্য। যা পরিস্থিতি, তাতে মেরুকরণের রাজনীতিতে তৃণমূল উত্তরবঙ্গ থেকে হারিয়ে যাওয়ার পথে।












Click it and Unblock the Notifications