জয় নিশ্চিত হতেই উড়ছে সবুজ আবির, কড়া নিরাপত্তা কালীঘাটে! 'নৈতিক জয়' বললেন বিজেপি প্রার্থী
বাংলার উপ নির্বাচনে ব্যাপক ভাবে এগিয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। জয় কার্যত সময়ের অপেক্ষা। চার কেন্দ্র অর্থাৎ শান্তিপুর, গোসাবা, দিনহাটা এবং খড়দহেও ব্যাপক ভাবে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থীরা। কার্যত ধারে কাছে নেই বিজেপি। গত বিধানসভা
বাংলার উপ নির্বাচনে ব্যাপক ভাবে এগিয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। জয় কার্যত সময়ের অপেক্ষা। চার কেন্দ্র অর্থাৎ শান্তিপুর, গোসাবা, দিনহাটা এবং খড়দহেও ব্যাপক ভাবে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থীরা। কার্যত ধারে কাছে নেই বিজেপি। গত বিধানসভা নির্বাচনে দিনহাটা এবং শান্তিপুরে ব্যাপক জয় পায় বিজেপি।
কিন্তু কয়েক মাসের ব্যাবধানেই এই সমস্ত কেন্দ্র খেলা ঘুরিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। দুই কেন্দ্রে জয়ের পথে শাসকদল তৃণমূল। আর সেই আভাস পাওয়া মাত্র রাস্তায় বিজেপি নেতা-কর্মীরা।

পথে তৃণমূল নেতা-কর্মীরা
জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা। কয়েকটি কেন্দ্রে এক লাখেরও বেশি ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী। আর সেই ট্রেন্ড সামণে আসতেই বিজয় উৎসবে মেতে উঠলেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। বিভিন্ন জায়গাতেই সবুজ আবির খেলতে শুরু করে দিয়েছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। কার্যত কোভিড বিধিকে অমান্য করেই শুরু বিজয় উৎসব। অন্যদিকে কড়া নিরাপত্তার মোড়কে মুড়ে ফেলা হয়েছে কালীঘাট। বিভিন্ন জায়গা থেকে কার্যত তৃণমূল প্রার্থীদের এগিয়ে থাকার খবর সামনে আসার পরেই কালীঘাটেই ভিড় বাড়ছে তৃণমূল নেতাদের।

বিজেপি সঙ্গে কোনও মানুষ নেই
মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধান। লাগাতার ধাক্কা বঙ্গ বিজেপির। গত ভবানীপুর সহ তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনে ধাক্কা খেয়েছে। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ফের ধাক্কা। এই প্রসঙ্গে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, "বিজেপি সঙ্গে কোনও মানুষ নেই। তাই দাপিয়ে বেরিয়ে কোনও লাভ হবে না। শুধু তাই নয়, খড়দা ব্যাপক ব্যবধানে এগিয়ে শোভনবাবু। সেই প্রসঙ্গে বলেন, এটা আমাদের জেতা আসন। এখানে মানুষ তৃণমূলকেই ভোট দিয়েছিল। তৃণমূল জিতবেই। কিন্তু কত ভোটের ফারাকে জেতা হবে সেটাই দেখার।

ভয় দেখানোর অভিযোগ
যদিও খড়দাতে বিজেপি প্রার্থী জয় সাহার অভিযোগ, ভোটের দিনেই ভোটারদের ভয় দেখানো হচ্ছিল। লাগাতার তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট লুঠের অভিযোগ। এভাবে কখনও ভোট হয় না বলে দাবি তাঁর। তবে ভোটের দিনেই বাস্তব ছবিটা মানুষের সামনে তুলে আনা হয়েছে মানুষের সামণে। জয়ের দাবি, সেদিনই বিজেপির নৈতিক জয় হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল বিজেপিকে প্রচার করতে দেয়নি, ভোটার কার্ড ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। শুধু জয় নয়, আরও এক বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, ভোটে অবাধে লুঠ করা হয়েছিল। কিন্তু কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।
Recommended Video

ফের মাস্টারস্ট্রোক অভিষেকের
এই চার কেন্দ্র জয় পাওয়াটাই রীতিমত চ্যালেঞ্জের ছিল তৃণমূলের কাছে। কারণ এই দুই কেন্দ্রে বিজেপির শক্ত ঘাঁটি ছিল। সেখানে দাঁড়িয়ে চারে চার করাটা তৃণমূলের কাছে কার্যত প্রেস্টিজিয়াস ফাইট ছিল। এবার চার কেন্দ্রের ভোটে মমতা প্রচারে যাননি। রচার করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দাঁড়িয়ে তাঁর কাছেও বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। আর সেই শেষমেস বিজেপিকে ধাক্কা দিয়ে জয়ের হাসির হাসলেন অভিষেক।












Click it and Unblock the Notifications