টার্গেট ২০২৬, মমতাকে বিজেপি শূন্য বিধানসভা উপহার দিতে বড় পরিকল্পনা! চাপে সুকান্তরা
টার্গেট ২০২৬! আগামী বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরে বড় জয় পেতে মরিয়া শাসকদল তৃণমূল। আর তাই এখন থেকেই কোচবিহারের নয়টি আসনে ঘুঁটি সাঁজাতে শুরু করল শাসকদল। আর সে লক্ষ্যে আগামী ২০২৫ এর মধ্যে কোচবিহার জেলায় শাসক দলের হাতছাড়া হওয়া অঞ্চল, গ্রাম পঞ্চায়েত নিজেদের দখলে আনতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। আর সে লক্ষ্যে নিশীথের খাসতালুক কোচবিহারে লাগাতার বিজেপিতে ভাঙন ধরাচ্ছে শাসকদল তৃণমূল।
বৃহস্পতিবার কোচবিহার নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের অন্দরন ফুলবাড়ী ২ নাম্বার অঞ্চলের বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্য সবিতা সাহা, কৃষ্ণ বর্মন ও প্রশান্ত বর্মন সহ প্রায় ২০০ বিজেপি কর্মী সমর্থক এবং কিছু বুথ সভাপতি তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করেন। এদিন তাদের হাতে জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে দলীয় পতাকা তুলে দেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক।

যোগদান কর্মসূচি শেষে সবিতা সাহা জানান, নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক মিহির গোস্বামীকে দেখা যায় না। তিনি কোন উন্নয়নমূলক কাজে তো দূরের কথা সামাজিক কাজেও এলাকায় আসেন না। সে ক্ষেত্রে গ্রামের উন্নয়নের ক্ষেত্রে এবং সাধারণ মানুষের কাজ কর্মের ক্ষেত্রে বিশেষ করে রাস্তাঘাট এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত অসুবিধা হচ্ছে বলে দাবি তৃণমূল নেত্রীর।
তাঁর কথায়, তৃণমূল পরিচালিত বিধায়কদের বিধানসভায় এলাকায় রমরমে উন্নয়ন হচ্ছে। সেখানে বিজেপি বিধায়ক পরিচালিত বিধানসভা এলাকায় কোন উন্নয়ন নেই। তাই সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে এবং এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন।
অন্যদিকে অভিজিৎ দে'র দাবি, টার্গেট ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহারের নয়টি বিধানসভা কেন্দ্রের নয়টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উপহার দেওয়াই লক্ষ্য। এই লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে যোগদান কর্মসূচি চলছে। লাগাতার যোগদান কর্মসূচিতে এখনো পর্যন্ত প্রায় ৪০ জন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য অঞ্চল সদস্য বুথ এবং মন্ডল সভাপতি যোগদান করেছেন, সেই সাথে প্রায় তিন হাজার বিজেপি কর্মী সমর্থক তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন বলে দাবি তৃণমূল নেতার।
তাঁর কথায়, উন্নয়নের স্বার্থেই বিজেপি নেতা-কর্মীরা তাদের দলে আসছে। আগামীদিনে বিজেপির শীর্ষস্থানীয় বেশ কিছু নেতাও শাসকদলে যোগ দেবে বলে দাবি তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতির। যদিও এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বদের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অরূপবাবু।












Click it and Unblock the Notifications