দলত্যাগ বিরোধী আইনকে অপমান! মুকুল রায়কে অসুস্থ সাজানো হচ্ছে, বিস্ফোরক শুভেন্দু
দলত্যাগ বিরোধী আইনকে অপমান! মুকুল রায়কে অসুস্থ সাজানো হচ্ছে, বিস্ফোরক শুভেন্দু
মুকুল রায় পথ দেখিয়েছিলেন। তিনিই বিজেপি (bjp) বিধায়ক হিসেবে প্রথম তৃণমূলে (trinamool congress) যোগ দিয়েছিলেন। এরপর গত সোমবার এ মঙ্গলবার পরপর দুদিন দুই বিজেপি বিধায়ক তন্ময় ঘোষ এবং বিশ্বজিৎ দাস তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন, যা নিয়ে এদিন তীব্র কটাক্ষ করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)। তিনি বলেছেন দলত্যাগ বিরোধী আইনকে অপমান করা হচ্ছে।

দলত্যাগী দুই বিধায়ককে চিঠি
এদিন শুভেন্দু অধিকারী জানান, দুই দলত্যাগী বিধায়ক বিষ্ণুপুরের তন্ময় ঘোষ এবং বাগদার বিশ্বজিৎ দাসকে তাঁদের অবস্থান জানতে চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ ছাড়াও বাড়িতে স্পিডপোস্টে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে তাঁদেরকে অবস্থান জানাতে বলা হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিষ্ণুপুরের তন্ময় ঘোষ তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন রেশন আর আফগারির ব্যবসা বাঁচাতে। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, প্রতিবছর ওই নেতার কোটি কোটি টাকা চাই। সেই কারণে টাকা বাঁচাতে তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। দলেরই দুই বিধায়কের তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ওই দুই বিধায়ক গত চারমাস ধরে দলের কর্মসূচিতে অংশ নেননি। বিশ্বজিৎ দাস তো জেতার পর থেকে তৃণমূলের সঙ্গেই লেপ্টে ছিলেন, মন্তব্য করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিশানা
বিধায়কদের দলত্যাগ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পের একবার নন এমএলএ মুখ্যমন্ত্রী বলে কটাক্ষ করেনষ তারপর তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বিধায়ক না হওয়ার বিধানসভায় দলের নেতা, তথা সভার নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বুধবার দেখা গিয়েছে তিনিই ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূলের অফিসে দলত্যাগী বিশ্বজিৎ দাসের হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দিচ্ছেন। এব্যাপারে দলত্যাগ বিরোধী আইনকে অপমান করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সংসদে যখন দলত্যাগ বিরোধী আইন পাশ করানো হয়েছিল, সেই সময় সবদলের সমর্থন ছিল।

মুকুল রায়কে অসুস্থ সাজানো হচ্ছে
মুকুল রায় শুধু তৃণমূলেই যোগ দেননি, তাঁকে বিধানসভায় পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে। মুকুল রায় সদস্যপদের বৈধতা নিয়ে বিধানসভায় শুনানিও চলছে। এদিন সেপ্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, মুকুল রায়কে পিএসির চেয়ারম্যান করা হলেও, একটি বৈঠকেও তিনি আসেননি। তার হয়ে কাজ চালাচ্ছেন তাপস রায়। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন, ঘরে বসে রয়েছেন মুকুল রায়। আর তাঁকে অসুস্থ সাজানোর চেষ্টা চলছে। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, খরচ তারা করবে, হিসেবও তারাই রাখবে, এটাই কাটমানিখ্যাত তৃণমূলের নীতি। ৬ অগাস্ট এব্যাপারে শুনানি আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আরও বিধায়ক চাই তৃণমূলের
বিরোধী দলনেতা বলেন, গত ১০ বছরে ৫০-এর বেশি বিরোধী বিধায়ককে দলে নিয়েছে তৃণমূল। আর এবার ২১৩ টি আসনে জয়ের পরেও তাদের আরও বিধায়ক চাই। যা করতে গিয়ে দলত্যাগ বিরোধী আইনকেই তারা মানতে চাইছে না, অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলনেতা।












Click it and Unblock the Notifications