সবুজ বনগাঁ গেরুয়া হওয়ার পথে! উপপুরপ্রধানকে বোঝাতে গিয়েও ‘ধাক্কা’ পুরপ্রধানের
১১ জনের পর আবারও তিনজন কাউন্সিলর অনাস্থার পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন বনগাঁ পুরসভায়। সেই দলে রয়েছেন বনগাঁ পুরসভার উপপুরপ্রধান কৃষ্ণা রায়ও।
১১ জনের পর আবারও তিনজন কাউন্সিলর অনাস্থার পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন বনগাঁ পুরসভায়। সেই দলে রয়েছেন বনগাঁ পুরসভার উপপুরপ্রধান কৃষ্ণা রায়ও। পুরপ্রধান শঙ্কর আঢ্য নিজে উদ্যোগী হয়েও 'মানভঞ্জন' করতে ব্যর্থ হলেন। ফলে বনগাঁ পুরসভার ক্ষমতা হস্তান্তর এখন সময়ের অপেক্ষা বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

অনাস্থার পক্ষে আরও তিন
এদিন অনাস্থার পক্ষে যে তিনজন কাউন্সিলর সই করেন, তাঁরা হলেন দীপেন্দু বিকাশ বৈরাগী, কৃষ্ণা রায় ও টুম্পা রায়। প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার বনগাঁ পুরসভায় অনাস্থা আনেন তৃণমূলের ১১ জন কাউন্সিলর। তারপর শনিবার ৩ জন যোগ দেন। সব মিলিয়ে অনাস্থার পক্ষে ১৪ জন তৃণমূলের কাউন্সিলর সই করেন।

বৈঠকে পুরপ্রধান-উপপুরপ্রধান
ব্যক্তিগত কাজে বাইরে ছিলেন পুরপ্রধান শঙ্কর আঢ্য। শুক্রবার তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থার খবর পেয়ে তড়িঘড়ি শনিবার ভোরে বনগাঁয় ফেরেন তিনি। পৌঁছে যান পুরসভার উপপুরপ্রধান কৃষ্ণা রায়ের বাড়িতে। সেখানে তাঁদের মধ্যে ম্যারাথন বৈঠক চলে। কিন্তু সেই বৈঠকেও সমাধান সূত্রে মেলেনি।

কোনো রাজনৈতিক কারণ নেই
এদিন উপপুরপ্রধান কৃষ্ণাদেবীর বাড়িতে সস্ত্রীক যান শংকরবাবু। সেখানে দফায় দফায় বৈঠকেও মেলেনি সমাধান। বৈঠকের পর শঙ্করবাবু বলেন, কৃষ্ণাদেবীর বাড়িতে এসেছিলাম নিতান্তই ব্যক্তিগত কারণে। এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক কারণ নেই। কারণ কৃষ্ণাদেবীর স্বামী অসুস্থ তাই ওনাকে দেখতে এসেছিলাম।

কাউন্সিলরদের পাশে থাকতেই অনাস্থা
কৃষ্ণাদেবী জানান, শুক্রবার আমরা ব্যক্তিগত কাজে বাইরে ছিলাম। অনাস্থার খবর জানতে পেরে বিষয়টি জানার পর অন্যান্য দলীয় কাউন্সিলরদের পাশে থাকার বার্তা দেন। তিনি বলেন, অনাস্থার পক্ষে এ দিন আমরা সই করেছি৷ উল্লেখ্য, ২২ আসনবিশিষ্ট বনগাঁ পুরসভার ২০ জন কাউন্সিলরই ছিলেন তৃণমূলের। একজন সিপিএমের, একজন নির্দলের। এখন এই পুরসভা গেরুয়া হওয়া স্রেশ সময়ের অপেক্ষা।












Click it and Unblock the Notifications