বিজেপিতে ভাঙন জঙ্গলমহলে! লোকসভা ভোটের পরই পুরুলিয়ায় শক্তি বাড়ল তৃণমূল কংগ্রেসের
পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকেই জঙ্গলমহলের বিস্তীর্ণ এলাকায় মানুষের মন ঘুরে গিয়েছে। তৃণমূল ছে্ড়ে তারা পাড়ি জমানোর চেষ্টা করছে বিজেপিতে।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকেই জঙ্গলমহলের বিস্তীর্ণ এলাকায় মানুষের মন ঘুরে গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে তারা পাড়ি জমানোর চেষ্টা করছে বিজেপিতে। আর তার ফলেই লোকসভা নির্বাচনে জঙ্গলমহল তৃণমূলের হাতছাড়া হয়ে গিয়েছে। জয়ী হয়েছে বিজেপি। তবে লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই আবার উল্টো হাওয়া বইতে শুরু করেছে।

তৃণমূল কংগ্রেসের পালে হাওয়া লাগছে
ফের জঙ্গলমহলে তৃণমূল কংগ্রেসের পালে হাওয়া লেগে গিয়েছে। বিজেপি ছেড়ে প্রায় প্রত্যেকদিনই তৃণমূলে ফিরছেন কর্মী-সমর্থকরা। বদলে যাওয়া তৃণমূলের প্রতি সমর্থন বাড়ছে। শুধু বিজেপিই নয়, নির্দল বা অন্যান্যা দলের সমর্থকরাও তৃণমূলে পা বাড়িয়ে দিয়েছেন।

বিজেপি ও নির্দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ
তেমনই সম্প্রতি পুরুলিয়ার হুড়ায় বিজেপি ও নির্দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন চারটি পরিবারের সদস্যরা। বিজেপির দুটি পরিবার ও নির্দল সমর্থিত দুটি পরিবার তৃণমূলের মঞ্চে এসে দলীয় পতাকা হাতে তুলে নেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে জয়ধ্বনি দেন।

বিধায়ক তাঁদের হাতে পতাকা তুলে দেন
কাশীপুরের বিধায়ক স্বপন বেলথারিয়া তাঁদের হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন। এই যোগদান মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল সরকারের মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু। উপস্থিত ছিলেন হুড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রসেনজিৎ মাহাতো।

কাশীপুরের বিধায়ক উবাচ
কাশীপুরের বিধায়ক বলেন, রাজ্যের উন্নয়নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই শেষ কথা। তাই তাঁর হাত শক্ত করতে যারা পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপি ও নির্দল করেছিলেন, তারা ফের তৃণমূলে যোগ দিলেন। তাঁর কথায়, বিজেপির মতো অপশক্তিকে দূর করতে সবাইকে এক হতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications