Dilip Ghosh: তৃণমূল সরকারকে গঙ্গায় ফেলা উচিত, রাজ্য কি বাংলাদেশ হচ্ছে? প্রশ্ন দিলীপ ঘোষের
তৃণমূল সরকারকে ধাক্কা মেরে গঙ্গায় ফেলা উচিত। রাজ্য কি বাংলাদেশ হচ্ছে? কড়া মন্তব্য দিলীপ ঘোষের। মঙ্গলবার সকালে নিউটাউনে প্রাতভ্রমণের সময় এই মন্তব্য করেছেন তিনি। শেখ শাহজাহান সম্পর্কেও আক্রমণ করেছেন এই বিজেপি সাংসদ।
এটা পশ্চিমবঙ্গ না কী বাংলাদেশ হচ্ছে? প্রশ্ন তুললেন দিলীপ ঘোষ। সন্দেশখালিতে ইডির উপরে হামলার ঘটনার পর পাঁচ দিন কেটে গিয়েছে। শেখ শাহজাহানের নাগাল পাওয়া যায়নি। প্রশ্ন উঠেছে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। ফের বাংলার শাসক দল তৃণমূলকে আক্রমণে গেলেন দিলীপ ঘোষ।

এই রাজ্যে আইনের শাসন নেই। পুলিশ প্রশাসন নেই৷ পশ্চিমবঙ্গ ও তার সীমানা উপদ্রুত এলাকা হয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে তাড়া করে মারা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির আধিকারিকদের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা পশ্চিমবঙ্গ না কী বাংলাদেশ? প্রশ্ন তুলেছেন দিলীপ ঘোষ।
শুধু তাই নয়, কাশ্মীর শান্ত হয়ে গেল। কিন্তু এই রাজ্যের এমন পরিস্থিতি। এই রাজ্যে বিভিন্ন সময় কেন্দ্রের প্রকল্পের টাকা লুট হয়েছে। আম্ফানের টাকা লুট হয়েছে। সীমান্ত এলাকার এইসব লোকেদের এত পরিমাণ সম্পত্তি কীভাবে হল? প্রশ্ন তুলেছেন সাংসদ দিলীপ ঘোষ। রাজ্যের সরকার দেশ বিরোধী কাজকে সমর্থন দিলে চিন্তার বিষয় রয়েছে। দাবি দিলীপের।
সীমান্ত এলাকায় কারা থাকে? কারা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে? সেই বিষয়ে দেখা দরকার বলে দাবি তুলেছেন রাজ্যের প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি। এখানে এত টাকা আসছে কোথা থেকে? সব এক একজন শিল্পপতি হয়ে উঠছে কীভাবে? কেন্দ্রীয় সরকার দেশে সন্ত্রাস রোখার কাজ করছে। আর এই রাজ্যের সীমান্ত দিয়ে এইসব হচ্ছে! প্রশ্ন তুলেছেন দিলীপ।
তৃণমূল কি সন্ত্রাসবাদীদের দল হয়ে গিয়েছে? এই সরকারের এক মিনিটও থাকা উচিত না। ধাক্কা মেরে গঙ্গায় ফেলা উচিত। রাজ্য সরকার শেখ শাহজাহানকে আশ্রয় দিচ্ছে। এই সরকারের থেকে কোনও কিছুই আশা করা যায় না। দাবি দিলীপ ঘোষের।
শেখ শাহজাহান কোথায়? তাই নিয়ে চর্চা চলছে। সুন্দরবনের কোনও দ্বীপে লুকিয়ে তিনি থাকতে পারেন। আবার বাংলাদেশেও পালিয়ে যেতে পারেন। এমনই মনে করেন দিলীপ। কেন্দ্রীয় বাহিনী এই সীমান্ত এলাকায় তল্লাশি করবে। এটা একটু সমস্যার। তবে তাই করতে হবে বলে মনে করেন বিজেপি সাংসদ।
রাজ্য- রাজ্যপাল সংঘাত বাংলায় নতুন নয়। এগুলো তৈরি করা হয়। শিক্ষাক্ষেত্রকে এখন কলুষিত করা হচ্ছে। শিক্ষা নিয়ে রাজ্যের গর্ব ছিল৷ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় গর্বের জায়গা। সেগুলোতেই বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। কার স্বার্থে এমন হচ্ছে! আগামী প্রজন্মকে কী দিতে চাওয়া হচ্ছে? প্রশ্ন তুলেছেন দিলীপ ঘোষ।












Click it and Unblock the Notifications