‘সাগরে তলিয়ে যাবেন মুকুল নতুবা স্থান হবে কাঁচরাপাড়ায়’, ফের সরব পার্থ
আগের দিন বলেছিলেন, ‘আমার বন্ধু রাজনৈতিক ব্লান্ডার করেছে তৃণমূল ছেড়ে।’ এবার তাঁর সাগরে তলিয়ে যাওয়া অবশ্যম্ভাবী বলে সাবধান করলেন পার্থ।
দরদাম করে রাজনীতিতে টিকে থাকা যায় না। মমতার ছবি সরিয়ে নেওয়ার পর হয় সাগরে তলিয়ে যাবেন মুকুল রায়। নতুবা তাঁর স্থান হবে ফের কাঁচরাপাড়ায়। মুকুল রায় রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়ার আগে মুকুল-প্রশ্নে ফের সরব তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি ফের রাজ্যসভার সাংসদের বিদায়বেলায় একহাত নিলেন মুকুল রায়কে।

এদিন ফের চাঁচাছোলা ভাষায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় সমালোচনা করেন মুকুল রায়ের। তিনি বলেন, 'নিজেকে খুব বড় নেতা বলে মনে করেন মুকুল। কিন্তু মাথা থাকলে তিনি কি এই ব্লান্ডার করতেন। এখনও বুঝতে পারছেন না দল ছেড়ে কতবড় ভুল করেছেন তিনি। আগামী দিনে তাঁকে খুঁজে পাওয়াও যাবে না। মমতার ছবি সরিয়ে নিলে যে তাঁকে সাগরে তলিয়ে যেতে হবে, তা আর বুঝবেন কবে।'
পার্থ বলেন, 'যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে এত কিছু দিলেন, তাঁর সঙ্গেই তিনি দলে থেকে বিশ্বাসঘাতকতা করছিলেন। তাই আমরা তাঁকে ছ'বছরের জন্য সাসপেন্ড করেছি। তিনি নিজেকে শুধরে নেবেন এমনটাই ভেবেছিলাম। কিন্তু তা হয়নি। এবার তিনি বুঝবেন মমতার ছত্রছায়ায় থাকা আর মমতার ছবিবিহীন চলা কত ফারাক। মমতার ছবি সরিয়ে নিলে তাঁর স্থান হবে কাঁচরাপাড়ায়।'
একদা তৃণমূলের অলিখিত 'সেকেন্ড ইন কম্যান্ড' ছিলেন মুকুল রায়। সেই গুরুত্বের জায়গা থেকে পদ খোয়াতে খোয়াতে এখন কেবল দলের বহিষ্কৃত সাংসদ তিনি। নিজে হাতে যে দলটা গড়েছিলেন, সেই দল থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার কথা তিনিই প্রথম ঘোষণা করেছিলেন। তারপরই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় দল। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁকে ছ'বছরের জন্য সাসপেন্ড ঘোষণা করেন।
সেদিনই পা্র্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁকে বাচ্চা বলার পরিপ্রেক্ষিতে বুড়ো ভাম বলে কটাক্ষ করেন। এরপর দুই সতীর্থের বাদানুবাদ চলতেই থাকে। আগের দিন বলেছিলেন, 'আমার বন্ধু রাজনৈতিক ব্লান্ডার করেছে তৃণমূল ছেড়ে।' এবার তাঁর সাগরে তলিয়ে যাওয়া অবশ্যম্ভাবী বলে সাবধান করলেন পার্থ। মুকুল রায় এদিন বলেন, 'আজ কোনও উত্তর দেব না, যা বলার কাল রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়ার পরই বলব।'












Click it and Unblock the Notifications