Aparajita Bill: আটকে ‘অপরাজিতা’ বিল, চাপ বাড়াতে রাষ্ট্রপতির দরবারে তৃণমূল; কী রয়েছে ওই বিলে?
Aparajita Bill: অপরাজিতা বিল দ্রুত কার্যকরে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার শাসকদলের ১১ জন সাংসদের প্রতিনিধি দল দেখা করেন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে। বিধানসভায় পাস হলেও কেন আইনে রূপান্তর করতে দেরি করা হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল সাংসদরা। তাদের দাবি, সব শুনে পর্যালোচনার আশ্বাস দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।
এদিন রাষ্ট্রপতির (President Droupadi Murmu) সঙ্গে সাক্ষাতের পর বেলা ১টা নাগাদ সাংবাদিক বৈঠক করে ওই প্রতিনিধি দল। সেখানে তৃণমূল সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল জানান, "দ্য অপরাজিতা উইমেন অ্যান্ড চাইল্ড (ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্রিমিনাল ল অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল ২০২৪ আইনে পরিণত করতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন এখনও মেলেনি।

তৃণমূল সাংসদ (TMC MP) জানান, ১১ জন তৃণমূল সাংসদের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করেছেন। বিধানসভায় সর্বসম্মতিতে পাস হয় এই বিল। তারপরেও তা আইনে পরিণত করতে কেন দেরি করা হচ্ছে?"
#WATCH | Delhi | After a meeting of the TMC MPs with President Murmu, TMC MP Pratima Mondal says," 11 member delegation of TMC MPs went to the President regarding the Aparajita Woman and Child (West Bengal Criminal Laws Amendment) Act, 2024 awaiting the assent of the President.… pic.twitter.com/fClTvwoWqE
— ANI (@ANI) February 13, 2025
দীর্ঘ ছয় মাস অপেক্ষার পর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিল আইনে পরিণত করার আবেদন তৃণমূলের। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সময় চান তাঁরা। সাক্ষাতের অনুমোদন মিলতেই দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ৯ মহিলা সাংসদ-সহ ১১ জনের সংসদীয় প্রতিনিধি দল।
সাংসদদের মধ্যে ছিলেন সায়নী ঘোষ, জুন মালিয়া, দোলা সেন, মহুয়া মৈত্র, সুস্মিতা দেব, ডেরেক ও ব্রায়েন। সাক্ষাতের পর বাইরে এসে প্রতিনিধি দল জানায়, রাষ্ট্রপতি ধৈর্যের সঙ্গে তাদের কথা শুনেছেন। তিনিও উদ্বিগ্ন বলে মনে হয়েছে তৃণমূল সাংসদদের। বিষয়টি দ্রুত পর্যালোচনা করে দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি, এমনটাই জানায় তৃণমূল।
যদিও এনিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপিও। বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেন, "বিজেপিও চায় কঠোর শাস্তি হোক। কিন্ত যেখানে সরকার নিজেই প্রমাণ লোপাট করছে, সেখানো কঠোর আইনের বাস্তবায়ন সম্ভবপর নয়।" শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি শমীকের।
কী রয়েছে 'অপরাজিতা' বিলে?
- 'অপরাজিতা' বিলে ধর্ষণের ক্ষেত্রে ফাঁসির সাজার বিধান রাখা হয়েছে। দণ্ডিত যতদিন জীবিত থাকবে, ততদিন জেলেই থাকতে হবে। একইসঙ্গে রয়েছে জরিমানার বিধানও।
- নির্যাতিতা যদি কোমায় চলে যান বা মৃত্যু হয়, সেক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে অপরাজিতা বিলে। দুটি ক্ষেত্রে জরিমানার বিধান আছে।
- গণধর্ষণের ক্ষেত্রে অপরাজিতা বিলে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান আছে। সঙ্গে আছে জরিমানার বিধান।
- ধর্ষণ এবং অ্যাসিড হামলার মামলার তদন্ত এবং বিচারপ্রক্রিয়া আরও দ্রুততার সঙ্গে শেষ করার প্রস্তাব রয়েছে অপরাজিতা বিলে। যাবতীয় যৌন নির্যাতন ও অ্যাসিড হামলার ক্ষেত্রে ৩০ দিনের মধ্যে যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ করার বিধান রয়েছে অপরাজিতা বিলে।












Click it and Unblock the Notifications