বিজেপি বাংলা ও বাঙালি বিরোধী! বিধানসভায় যৌথ-প্রস্তাবের আর্জি তৃণমূল-কংগ্রেস-বামেদের
জাতীয় নাগরিক পঞ্জির নামে অসমে বিজেপি বাঙালি খেদাও অভিযান চালাচ্ছে বলে অভিযোগে এককাট্টা হল বাংলার শাসক ও বিরোধী।
জাতীয় নাগরিক পঞ্জির নামে অসমে বিজেপি বাঙালি খেদাও অভিযান চালাচ্ছে বলে অভিযোগে এককাট্টা হল বাংলার শাসক ও বিরোধী। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সুর মিলিয়ে একযোগে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিল কংগ্রেস ও সিপিএমও। এমনকী একসঙ্গে বিধানসভায় প্রস্তাব আনতেও পারে তৃণমূল, কংগ্রেস ও সিপিএম।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই অভিযোগ করেছিলেন অসমে টার্গেট করা হয়েছে বাঙালিদের। বিজেপি পরিকল্পিতভাবে এই বাঙালি খেদাও অভিযানে নেমেছে। লোকসভা ভোটের আগে রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরে সুর মিলিয়েই বিধানসভা বাম পরিষদীয় দলনেতা সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী আক্রমণ করেন বিজেপিকে।
তিনি বলেন, সব কাজ ফেলে রেখে বিজেপি বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামতে হবে। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার আহ্বান জানান। সুজন চক্রবর্তী বলেন, বিজেপি এদিন প্রমাণ করে দিয়েছি তারা কত বড় বাংলা ও বাঙালি বিরোধী। তাই তাদেরকে যোগ্য জবাব দিতে হবে। আমরা সবাই অসমের মানুষের পাশে আছি।
বিধানসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেস বিধায়ক আবদুল মান্নানও কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে ধিক্কার জানায়। তিনি বলেন, জাতীয় নাগরিক পঞ্জিকরণে যে সমস্ত নথিপত্র চাওয়া হচ্ছে, তা স্বয়ং রাষ্ট্রপতিরও নেই। এখানে আমরা যাঁরা উপস্থিত রয়েছি, তাঁদেরই নেই। তাই বিজেপি আমাদেরও রিফিউজি বানানোর চক্রান্ত চালাচ্ছে। কেন্দ্রের এটা পরিকল্পিত সিদ্ধান্ত। এর বিরুদ্ধে একযোগে প্রতিবাদ হওয়া জরুরি।
রাজ্যের শাসক-বিরোধীদের আওয়াজ মিলে যাওয়ায় মঙ্গলবার একযোগে বিধানসভায় প্রস্তাব আনা হতে পারে। তিন দলের পক্ষ থেকেই এ ব্যাপারে সহমত পোষণ করা হয়েছে। তবে এখনও তিন দল একত্রিত হয়ে বিধানসভায় নিন্দা প্রস্তাব আনবে কি না, তা চূড়ান্ত হয়নি। শাসক তৃণমূলের ডাক এলেই কংগ্রেস ও সিপিএম একযোগে প্রস্তাব আনতে প্রস্তুত।












Click it and Unblock the Notifications