বিজেপির হাতে থাকা আরও এক পঞ্চায়েতের দখল নিল তৃণমূল, পুড়ল বাজি-চলল আবীর খেলা
বিজেপির (bjp) হাতে থাকা আরও এক পঞ্চায়েত (panchayat) গেল তৃণমূলের (trinamool congress) দখলে। বিধানসভা ভোটের আগে প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন সেই অনুযায়ী ভোটাভুটির জন্য ডাকা হয়েছিল পঞ্চায়েতের স
বিজেপির (bjp) হাতে থাকা আরও এক পঞ্চায়েত (panchayat) গেল তৃণমূলের (trinamool congress) দখলে। বিধানসভা ভোটের আগে প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই অনুযায়ী ভোটাভুটির জন্য ডাকা হয়েছিল পঞ্চায়েতের সদস্যদের। যদিও বিজেপি দাবি, বিষয়টি এখন আদালতের বিচারাধীন।

মার্চের শুরুতে অনাস্থা
মার্চের একেবারে শুরুতে বিজেপির দখলে থাকা বাগদার সিন্দ্রাণী পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দেওয়া হয় বাগদার বিডিও অফিসে। অনাস্থা প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেছিলেন ১৪ জন সদস্য। সেই সময় বিজেপি প্রশ্ন তুলেছিল, নির্বাচনী আচরণবিধি লাগু হওয়ার পরেও আদৌ এই ধরনের অনাস্থা আনা যায় কিনা তা নিয়ে।

২০১৮-তে পঞ্চায়েত দখল বিজেপির
বাগদার সিন্দ্রাণী পঞ্চায়েতের আসন সংখ্যা ২৬। ২০১৮-র পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি জিতেছিল ১৩ টি আসনে। তৃণমূল ১১ এবং নির্দলরা ২ টি আসনে। সেই সময় দুই নির্দল সদস্য বিজেপিকে সমর্থন করায়, পঞ্চায়েত প্রধান হয়েছিলেন বিজেপির লতিকা মণ্ডল।

বিজেপির ৩ সদস্য শিবির পরিবর্তন করতেই ভারসাম্যের বদল
যদিও কিছু দিনের মধ্যেই বিজেপির তিন সদস্য তৃণমূলে যোগ দেন। ফলে এই পঞ্চায়েতের ভারসাম্য বদলে যায়। সেখানে তৃণমূল হয়ে যায় ১৪। কিন্তু পঞ্চায়েতের আইন অনুযায়ী, বোর্ড গঠনের আড়াই বছরের মধ্যে অনাস্থা আনা যায় না। তাই থমকে যা তৃণমূল। ভোটের মুখে সেই সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় প্রধান লতিকা মণ্ডলের অপসারণ দাবি করে বিডিও অফিসে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয় তৃণমূল কংগ্রেস। সমর্থন করেন ১৪ জন সদস্য। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে বলা হয়েছিল, এলাকার উন্নয়ন থমকে আছে। মানুষ তাদের সঙ্গে রয়েছে। তাই এই অনাস্থা। যদিও বিধানসভা নির্বাচনে বাগদা বিধানসভা দখল করে বিজেপি।

অনাস্থা ভোটে অনুপস্থিত বিজেপির সদস্যরা
অনাস্থা ভোটে অনুপস্থিত ছিলেন বিজেপির সদস্যরা। তৃণমূলের তরফে ভোট দেন ১৪ জন সদস্য। তাঁরাই সৌমেন ঘোষকে নতুন পঞ্চায়েত প্রধান হিসেবে নির্বাচিত করেন। এই অনাস্থা প্রস্তাব পাশ করানো নিয়ে কটাক্ষ করা হয়েছে বিজেপির তরফে। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন বলেও দাবি করেছে গেরুয়া শিবির।
(ফাইল ফটো)












Click it and Unblock the Notifications